ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ভোলায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 255

ছবি সংগৃহীত

 

ভোলা: মে মাসের শেষদিকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় শক্তি ও মন্থার আশঙ্কায় ভোলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবে প্রায় চার লাখ ৪৪ হাজার মানুষ। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও ত্রাণ সামগ্রী।

শনিবার (২৪ মে) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানান ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান। তার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আলফ্রেড, সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি সম্মুখীন উপকূলীয় অঞ্চল

জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১৪টি কিল্লা। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবেন মোট চার লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ জন। উদ্ধার ও সচেতনতা কার্যক্রমে নিযুক্ত থাকবে ১৩ হাজার ৮৬০ জন সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক, ৯৮টি মেডিক্যাল টিম ও ২১টি পশু চিকিৎসা টিম।

ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা হয়েছে এক হাজার ১৫ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৯১ মেট্রিক টন চাল, পাঁচ লাখ টাকার শিশুখাদ্য, পাঁচ লাখ টাকার পশুখাদ্য এবং পর্যাপ্ত ঢেউটিন।

ভোলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল। চরফ্যাশনের ঢালচরে সাত হাজার ৪৩৬ জন, কুকরি-মুকরিতে আট হাজার ৩৬২ জন ও মুজিবনগরে ১০ হাজার ৪০৪ জন বসবাস করে। অপরদিকে, মনপুরার কলাতলী চরে চার হাজার ২০০ জন, কাজির চরে তিন হাজার ১০০ জন, ঢালচরে ৪৫০ জন ও মহাজনকান্দিতে ১১০ জন মানুষ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এই সব চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে আনার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহান সরকার, সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র

আপডেট সময় ০৪:১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

ভোলা: মে মাসের শেষদিকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় শক্তি ও মন্থার আশঙ্কায় ভোলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবে প্রায় চার লাখ ৪৪ হাজার মানুষ। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও ত্রাণ সামগ্রী।

শনিবার (২৪ মে) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানান ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান। তার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন  বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় 'শক্তি'-র সম্ভাবনা, খুলনা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল সবচেয়ে ঝুঁকিতে

জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১৪টি কিল্লা। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবেন মোট চার লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ জন। উদ্ধার ও সচেতনতা কার্যক্রমে নিযুক্ত থাকবে ১৩ হাজার ৮৬০ জন সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক, ৯৮টি মেডিক্যাল টিম ও ২১টি পশু চিকিৎসা টিম।

ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা হয়েছে এক হাজার ১৫ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৯১ মেট্রিক টন চাল, পাঁচ লাখ টাকার শিশুখাদ্য, পাঁচ লাখ টাকার পশুখাদ্য এবং পর্যাপ্ত ঢেউটিন।

ভোলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল। চরফ্যাশনের ঢালচরে সাত হাজার ৪৩৬ জন, কুকরি-মুকরিতে আট হাজার ৩৬২ জন ও মুজিবনগরে ১০ হাজার ৪০৪ জন বসবাস করে। অপরদিকে, মনপুরার কলাতলী চরে চার হাজার ২০০ জন, কাজির চরে তিন হাজার ১০০ জন, ঢালচরে ৪৫০ জন ও মহাজনকান্দিতে ১১০ জন মানুষ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এই সব চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে আনার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহান সরকার, সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।