ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

আলোচনার আশ্বাসে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট প্রত্যাহার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 683

ছবি সংগৃহীত

 

তেল বিক্রির কমিশন ৭ শতাংশে উন্নীতকরণসহ ১০ দফা দাবিতে সারা দেশে শুরু হওয়া পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিকদের ধর্মঘট অবশেষে আলোচনার আশ্বাসে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (২৫ মে) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক ঐক্য পরিষদ ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা, সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

ধর্মঘটটি শুরু হয়েছিল একইদিন সকাল ৬টা থেকে। এতে রাজধানীসহ সারা দেশে তেল সরবরাহে স্থবিরতা দেখা দেয়। ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও পেট্রোল পাম্পে বিক্রি বন্ধ থাকায় যানবাহনচালক ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও মালিকপক্ষ বৈঠকে বসে। বৈঠকে মালিকদের দাবির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দেয় বিপিসি।

পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপিসি ১৫ দিনের মধ্যে কিছু দাবি বাস্তবায়ন এবং দুই মাসের মধ্যে বাকি দাবিগুলোর সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে আবারও আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি দেন মালিক নেতারা।

পেট্রোল পাম্প মালিকদের ১০ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—

* তেল বিক্রির কমিশন ন্যূনতম ৭ শতাংশে উন্নীত করা

* সওজ অধিদপ্তরের ইজারা মাশুল পূর্বের অবস্থায় বহাল রাখা

* সংযোগ সড়কের ইজারা নবায়নে পে-অর্ডারকে নবায়ন হিসেবে গণ্য করা

* আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংকের ক্যালিব্রেশন বাধ্যতামূলক না করা

* ডিপ রড পরীক্ষণ ফি বাতিল

* বিভিন্ন দপ্তরের লাইসেন্স গ্রহণ প্রথা বাতিল

* বিপণন কোম্পানি ছাড়া তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করা

* ট্যাংকলরি চালকদের লাইসেন্স নবায়নের জটিলতা দূর করা

* আন্তঃজেলা রুট পারমিট সহজীকরণ এবং

* অননুমোদিতভাবে খোলা স্থানে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ করা।

সরকারি আশ্বাসে আপাতত ধর্মঘট স্থগিত থাকলেও মালিকপক্ষ দাবি আদায়ে বাস্তব অগ্রগতি চায়। তা না হলে আবারো কঠোর কর্মসূচিতে ফেরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আলোচনার আশ্বাসে পেট্রোল পাম্প ধর্মঘট প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০৪:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

তেল বিক্রির কমিশন ৭ শতাংশে উন্নীতকরণসহ ১০ দফা দাবিতে সারা দেশে শুরু হওয়া পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিকদের ধর্মঘট অবশেষে আলোচনার আশ্বাসে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (২৫ মে) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক ঐক্য পরিষদ ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা, সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

ধর্মঘটটি শুরু হয়েছিল একইদিন সকাল ৬টা থেকে। এতে রাজধানীসহ সারা দেশে তেল সরবরাহে স্থবিরতা দেখা দেয়। ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও পেট্রোল পাম্পে বিক্রি বন্ধ থাকায় যানবাহনচালক ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে।

পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও মালিকপক্ষ বৈঠকে বসে। বৈঠকে মালিকদের দাবির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দেওয়ার আশ্বাস দেয় বিপিসি।

পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপিসি ১৫ দিনের মধ্যে কিছু দাবি বাস্তবায়ন এবং দুই মাসের মধ্যে বাকি দাবিগুলোর সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে আবারও আন্দোলনে ফেরার হুঁশিয়ারি দেন মালিক নেতারা।

পেট্রোল পাম্প মালিকদের ১০ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—

* তেল বিক্রির কমিশন ন্যূনতম ৭ শতাংশে উন্নীত করা

* সওজ অধিদপ্তরের ইজারা মাশুল পূর্বের অবস্থায় বহাল রাখা

* সংযোগ সড়কের ইজারা নবায়নে পে-অর্ডারকে নবায়ন হিসেবে গণ্য করা

* আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংকের ক্যালিব্রেশন বাধ্যতামূলক না করা

* ডিপ রড পরীক্ষণ ফি বাতিল

* বিভিন্ন দপ্তরের লাইসেন্স গ্রহণ প্রথা বাতিল

* বিপণন কোম্পানি ছাড়া তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করা

* ট্যাংকলরি চালকদের লাইসেন্স নবায়নের জটিলতা দূর করা

* আন্তঃজেলা রুট পারমিট সহজীকরণ এবং

* অননুমোদিতভাবে খোলা স্থানে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ করা।

সরকারি আশ্বাসে আপাতত ধর্মঘট স্থগিত থাকলেও মালিকপক্ষ দাবি আদায়ে বাস্তব অগ্রগতি চায়। তা না হলে আবারো কঠোর কর্মসূচিতে ফেরার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।