ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন

আরও পড়ুন  কাশ্মীরীদের সিদ্ধান্তে সম্পূর্ণ সমর্থন দেবে পাকিস্তান: রাষ্ট্রদূত

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার এই সফর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

আগামী ২৬ মার্চ ড. ইউনূস তিনদিনের সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এই সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একটি সৌজন্য বৈঠক করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আমরা একটি স্মরণীয় ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধান উপদেষ্টার সফর সেই ঘোষণা আসার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।”

তিনি আরও বলেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে। আমরা চাই, দুই দেশ মিলে পারস্পরিক কল্যাণে কাজ করুক। এ সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং চিকিৎসা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে যাবে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, সফর সফল করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সফরের প্রতিটি ধাপে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিধারায় এই সফর হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক, যা আগামী দশকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় মাইলফলক হয়ে থাকবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৫:১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

 

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক: এই শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উত্তরণ"

তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার এই সফর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমরা এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।”

আগামী ২৬ মার্চ ড. ইউনূস তিনদিনের সরকারি সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এই সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে একটি সৌজন্য বৈঠক করেছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে। এ উপলক্ষে আমরা একটি স্মরণীয় ঘোষণা দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধান উপদেষ্টার সফর সেই ঘোষণা আসার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।”

তিনি আরও বলেন, “চীন সবসময় বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখে। আমরা চাই, দুই দেশ মিলে পারস্পরিক কল্যাণে কাজ করুক। এ সফরের মাধ্যমে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং চিকিৎসা ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার নতুন পথ খুলে যাবে।”

রাষ্ট্রদূত জানান, সফর সফল করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সফরের প্রতিটি ধাপে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বর্তমান গতিধারায় এই সফর হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক, যা আগামী দশকে দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতাকে আরও শক্ত ভিত্তি দেবে বলে আশা করছেন কূটনৈতিক মহল।