ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা চালের দুটি জাহাজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 271

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে সরকারিভাবে আমদানি করা ৩৪ হাজার ৫৫০ টন চাল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সকালে চালবাহী জাহাজ দুটি বন্দরে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যার পর খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারত থেকে ২২ হাজার ৫০০ টন সেদ্ধ চাল নিয়ে এসেছে ‘এমভি তানাইস ড্রিম’ জাহাজটি। পাশাপাশি, জি টু জি চুক্তির আওতায় ভিয়েতনাম থেকে ১২ হাজার ৫০ টন আতপ চাল নিয়ে এসেছে ‘এমভি হং লিনহ-১’।

আরও পড়ুন  যুদ্ধ-আতঙ্কে ভারত: ২৪৪ জেলায় ব্ল্যাকআউটসহ মহড়া চালানোর নির্দেশ

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব বলেন, “ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে আগত দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় নোঙর করেছে। চালগুলোর নমুনা পরীক্ষা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজই চাল খালাস করা হবে।” সরকার ভিয়েতনামের সাথে জি টু জি ভিত্তিতে এক লাখ টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম চালানের ১৭ হাজার ৮০০ টন চাল ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।

এর আগে, গত ১৫ মার্চ পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ টন আতপ চাল নিয়ে ‘এমভি মারিয়াম’ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এছাড়া, ৫ মার্চ ভারত ও পাকিস্তান থেকে মোট ৩৭ হাজার ২৫০ টন চাল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে আসে, যার মধ্যে পাকিস্তানের ২৬ হাজার ২৫০ টন এবং ভারতের ১১ হাজার টন চাল রয়েছে।

বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি চুক্তি করছে। নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব চাল দ্রুত খালাসের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন চালের সরবরাহ বাজারে আসার ফলে দাম কিছুটা কমতে পারে এবং ভোক্তারা স্বস্তি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা চালের দুটি জাহাজ

আপডেট সময় ০৭:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে সরকারিভাবে আমদানি করা ৩৪ হাজার ৫৫০ টন চাল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সকালে চালবাহী জাহাজ দুটি বন্দরে পৌঁছায়। চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যার পর খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারত থেকে ২২ হাজার ৫০০ টন সেদ্ধ চাল নিয়ে এসেছে ‘এমভি তানাইস ড্রিম’ জাহাজটি। পাশাপাশি, জি টু জি চুক্তির আওতায় ভিয়েতনাম থেকে ১২ হাজার ৫০ টন আতপ চাল নিয়ে এসেছে ‘এমভি হং লিনহ-১’।

আরও পড়ুন  ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে সেটি আমেরিকার বিষয় নয়: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব বলেন, “ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে আগত দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় নোঙর করেছে। চালগুলোর নমুনা পরীক্ষা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আজই চাল খালাস করা হবে।” সরকার ভিয়েতনামের সাথে জি টু জি ভিত্তিতে এক লাখ টন চাল আমদানির চুক্তি করেছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম চালানের ১৭ হাজার ৮০০ টন চাল ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।

এর আগে, গত ১৫ মার্চ পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ টন আতপ চাল নিয়ে ‘এমভি মারিয়াম’ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এছাড়া, ৫ মার্চ ভারত ও পাকিস্তান থেকে মোট ৩৭ হাজার ২৫০ টন চাল নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে আসে, যার মধ্যে পাকিস্তানের ২৬ হাজার ২৫০ টন এবং ভারতের ১১ হাজার টন চাল রয়েছে।

বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি চুক্তি করছে। নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব চাল দ্রুত খালাসের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন চালের সরবরাহ বাজারে আসার ফলে দাম কিছুটা কমতে পারে এবং ভোক্তারা স্বস্তি পাবে।