ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির কড়া বার্তা, জানান দিলেন কানাডার শক্তির কথা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 293

ছবি: সংগৃহীত

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মার্ক কার্নি তার বিজয় ভাষণে এক বিশাল বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ৫৯ বছর বয়সী কার্নি তার ভাষণের মাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো ভুল না করলে ভালো, কিন্তু যদি কানাডার বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করা হয় কিংবা আমাদেরকে ৫১তম রাজ্য বানানোর হুমকি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ বাণিজ্য, যেমন হকি, সেখানে কানাডাই জয়ী হবে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের চাঞ্চল্যকর তিনটি হত্যাকাণ্ডের নথি প্রকাশের নির্দেশ দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

রবিবার রাতে, ৯ মার্চ, কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে দলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা তার নাম কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। কার্নি, যিনি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার ভাষণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল—”আমরা নতুন ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করব, যেটি আরও নির্ভরযোগ্য দেশগুলোর সঙ্গে হবে।”

কার্নি আরো বলেন, “আমেরিকা যদি তাদের পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, তবে আমাদেরও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমেরিকানরা যতদিন আমাদের সম্মান করবে না, ততদিন পারস্পরিক শুল্ক বহাল থাকবে।”

কার্নি ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ তৈরি করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকানরা আমাদের সম্পদ, পানি, জমি সব কিছু ছিনিয়ে নিতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবো না। ট্রাম্প, তার সরকার, এবং আমেরিকানরা কানাডার শ্রমিক, পরিবার এবং বাণিজ্যকে বারবার আক্রমণ করছে এটা চলতে দেয়া যাবে না।”

এই বার্তা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, এটি কানাডার আঞ্চলিক স্বাধিকারের প্রতি একটি দৃঢ় মনোভাব, যা দেশের মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির কড়া বার্তা, জানান দিলেন কানাডার শক্তির কথা

আপডেট সময় ০৪:১৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মার্ক কার্নি তার বিজয় ভাষণে এক বিশাল বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ৫৯ বছর বয়সী কার্নি তার ভাষণের মাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো ভুল না করলে ভালো, কিন্তু যদি কানাডার বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করা হয় কিংবা আমাদেরকে ৫১তম রাজ্য বানানোর হুমকি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ বাণিজ্য, যেমন হকি, সেখানে কানাডাই জয়ী হবে।”

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়তে যাচ্ছে ভারত

রবিবার রাতে, ৯ মার্চ, কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে দলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা তার নাম কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। কার্নি, যিনি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার ভাষণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল—”আমরা নতুন ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করব, যেটি আরও নির্ভরযোগ্য দেশগুলোর সঙ্গে হবে।”

কার্নি আরো বলেন, “আমেরিকা যদি তাদের পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, তবে আমাদেরও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমেরিকানরা যতদিন আমাদের সম্মান করবে না, ততদিন পারস্পরিক শুল্ক বহাল থাকবে।”

কার্নি ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ তৈরি করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকানরা আমাদের সম্পদ, পানি, জমি সব কিছু ছিনিয়ে নিতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবো না। ট্রাম্প, তার সরকার, এবং আমেরিকানরা কানাডার শ্রমিক, পরিবার এবং বাণিজ্যকে বারবার আক্রমণ করছে এটা চলতে দেয়া যাবে না।”

এই বার্তা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, এটি কানাডার আঞ্চলিক স্বাধিকারের প্রতি একটি দৃঢ় মনোভাব, যা দেশের মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।