ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির কড়া বার্তা, জানান দিলেন কানাডার শক্তির কথা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 385

ছবি: সংগৃহীত

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মার্ক কার্নি তার বিজয় ভাষণে এক বিশাল বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ৫৯ বছর বয়সী কার্নি তার ভাষণের মাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো ভুল না করলে ভালো, কিন্তু যদি কানাডার বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করা হয় কিংবা আমাদেরকে ৫১তম রাজ্য বানানোর হুমকি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ বাণিজ্য, যেমন হকি, সেখানে কানাডাই জয়ী হবে।”

আরও পড়ুন  কানাডায় নির্বাচনে লিবারেলের জয়, প্রধানমন্ত্রী হয়েই ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি দিলেন কার্নি

রবিবার রাতে, ৯ মার্চ, কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে দলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা তার নাম কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। কার্নি, যিনি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার ভাষণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল—”আমরা নতুন ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করব, যেটি আরও নির্ভরযোগ্য দেশগুলোর সঙ্গে হবে।”

কার্নি আরো বলেন, “আমেরিকা যদি তাদের পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, তবে আমাদেরও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমেরিকানরা যতদিন আমাদের সম্মান করবে না, ততদিন পারস্পরিক শুল্ক বহাল থাকবে।”

কার্নি ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ তৈরি করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকানরা আমাদের সম্পদ, পানি, জমি সব কিছু ছিনিয়ে নিতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবো না। ট্রাম্প, তার সরকার, এবং আমেরিকানরা কানাডার শ্রমিক, পরিবার এবং বাণিজ্যকে বারবার আক্রমণ করছে এটা চলতে দেয়া যাবে না।”

এই বার্তা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, এটি কানাডার আঞ্চলিক স্বাধিকারের প্রতি একটি দৃঢ় মনোভাব, যা দেশের মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্পকে মার্ক কার্নির কড়া বার্তা, জানান দিলেন কানাডার শক্তির কথা

আপডেট সময় ০৪:১৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মার্ক কার্নি তার বিজয় ভাষণে এক বিশাল বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ৫৯ বছর বয়সী কার্নি তার ভাষণের মাধ্যমে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ করেন।

তিনি বলেন, “আমেরিকা কখনো ভুল না করলে ভালো, কিন্তু যদি কানাডার বিরুদ্ধে শুল্ক আরোপ করা হয় কিংবা আমাদেরকে ৫১তম রাজ্য বানানোর হুমকি দেয়া হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত। কারণ বাণিজ্য, যেমন হকি, সেখানে কানাডাই জয়ী হবে।”

আরও পড়ুন  কানাডা: বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড ও উন্নত জীবনের দেশ

রবিবার রাতে, ৯ মার্চ, কানাডার ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে দলের নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে লিবারেল পার্টির প্রেসিডেন্ট সচিত মেহরা তার নাম কানাডার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেন। কার্নি, যিনি ব্যাংক অব কানাডার গভর্নর এবং ব্যাংক অব ইংল্যান্ডেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার ভাষণের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল—”আমরা নতুন ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক তৈরি করব, যেটি আরও নির্ভরযোগ্য দেশগুলোর সঙ্গে হবে।”

কার্নি আরো বলেন, “আমেরিকা যদি তাদের পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেয়, তবে আমাদেরও পাল্টা ব্যবস্থা নিতে হবে। আমেরিকানরা যতদিন আমাদের সম্মান করবে না, ততদিন পারস্পরিক শুল্ক বহাল থাকবে।”

কার্নি ট্রাম্পের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ তৈরি করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকানরা আমাদের সম্পদ, পানি, জমি সব কিছু ছিনিয়ে নিতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবো না। ট্রাম্প, তার সরকার, এবং আমেরিকানরা কানাডার শ্রমিক, পরিবার এবং বাণিজ্যকে বারবার আক্রমণ করছে এটা চলতে দেয়া যাবে না।”

এই বার্তা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, এটি কানাডার আঞ্চলিক স্বাধিকারের প্রতি একটি দৃঢ় মনোভাব, যা দেশের মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।