ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

এনআইডি তথ্য ফাঁস: সাবেক সচিব গ্রেপ্তার, ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 396

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য ফাঁস ও বিক্রির অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়েছে। এই মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে ঢাকার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিরা এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেস লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক অনুমতি প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও প্রায় ১৮২টি প্রতিষ্ঠানকে এনআইডির তথ্য বিক্রি করেছে। এই তথ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন  মোহাম্মদপুরে মাদক ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান: ৪৮ জন গ্রেপ্তার

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসামিরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জাতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি চালিয়েছেন। তারা দেশের নাগরিকদের গোপন তথ্যগুলো অবৈধভাবে বিক্রি করেছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে চলমান শঙ্কা ও উদ্বেগের মধ্যে এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে যে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের অপরাধ ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব এবং অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে, এবং তদন্ত শেষ হলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এনআইডি তথ্য ফাঁস: সাবেক সচিব গ্রেপ্তার, ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ!

আপডেট সময় ০১:২০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য ফাঁস ও বিক্রির অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়েছে। এই মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে ঢাকার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিরা এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে ডিজিকন গ্লোবাল সার্ভিসেস লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক অনুমতি প্রদান করেন। প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও প্রায় ১৮২টি প্রতিষ্ঠানকে এনআইডির তথ্য বিক্রি করেছে। এই তথ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন  আদালত চত্ত্বর থেকে পালানো আসামী বরগুনা থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসামিরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জাতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ভঙ্গ করে এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি চালিয়েছেন। তারা দেশের নাগরিকদের গোপন তথ্যগুলো অবৈধভাবে বিক্রি করেছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে চলমান শঙ্কা ও উদ্বেগের মধ্যে এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করেছে যে, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের অপরাধ ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

এই ঘটনায় গ্রেপ্তার সাবেক সচিব এবং অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে, এবং তদন্ত শেষ হলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।