ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে নির্বাচন অসম্ভব: বিরোধী নেত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কো”

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 206

ছবি: সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের বিরোধীদলীয় নেত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কো মন্তব্য করেছেন, চলমান যুদ্ধাবস্থায় দেশে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বর্তমানে বৈধভাবে ক্ষমতায় আছেন। তার ভাষায়, “এ মুহূর্তে, ইউক্রেনের জনগণই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, কখন এবং কীভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটবে।”

তিমোশেঙ্কো এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করেছেন, যখন ইউক্রেনের রাজনৈতিক মহলে যুদ্ধকালীন নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা রক্ষা করার স্বার্থে এখন নির্বাচনের আয়োজন না করাই শ্রেয়। তার মতে, দেশের বর্তমান অবস্থায় নির্বাচন কোনোভাবেই দেশের জন্য সহায়ক হবে না।

আরও পড়ুন  সংকটে চরম শোকাবহ সকাল পার করছে দেশ: ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট

ইউক্রেনের বিরোধী নেত্রী আরও বলেন, “যুদ্ধের এই সময়ে নির্বাচনের আয়োজন কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বাড়াবে। তাই ইউক্রেনের জনগণেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কীভাবে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে চান।”

এছাড়া, তিমোশেঙ্কো ইঙ্গিত দেন যে, ইউক্রেনের জনগণের অধিকার রয়েছে নিজেদের রাজনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তন আনার, তবে এটি কোনোভাবে যুদ্ধের সময় করতে হবে না। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির ক্ষমতায় থাকা একটি প্রেক্ষাপটে, ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিমোশেঙ্কো যুদ্ধকালীন সময়ে নির্বাচন নিয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

“যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে নির্বাচন অসম্ভব: বিরোধী নেত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কো”

আপডেট সময় ১১:৫১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ইউক্রেনের বিরোধীদলীয় নেত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কো মন্তব্য করেছেন, চলমান যুদ্ধাবস্থায় দেশে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয় এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বর্তমানে বৈধভাবে ক্ষমতায় আছেন। তার ভাষায়, “এ মুহূর্তে, ইউক্রেনের জনগণই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, কখন এবং কীভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটবে।”

তিমোশেঙ্কো এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করেছেন, যখন ইউক্রেনের রাজনৈতিক মহলে যুদ্ধকালীন নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা রক্ষা করার স্বার্থে এখন নির্বাচনের আয়োজন না করাই শ্রেয়। তার মতে, দেশের বর্তমান অবস্থায় নির্বাচন কোনোভাবেই দেশের জন্য সহায়ক হবে না।

আরও পড়ুন  'সেভ আমেরিকা’ ভোটিং বিল পাসে তারাহুরো ট্রাম্পের

ইউক্রেনের বিরোধী নেত্রী আরও বলেন, “যুদ্ধের এই সময়ে নির্বাচনের আয়োজন কেবল দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বাড়াবে। তাই ইউক্রেনের জনগণেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা কীভাবে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে চান।”

এছাড়া, তিমোশেঙ্কো ইঙ্গিত দেন যে, ইউক্রেনের জনগণের অধিকার রয়েছে নিজেদের রাজনৈতিক পরিবেশে পরিবর্তন আনার, তবে এটি কোনোভাবে যুদ্ধের সময় করতে হবে না। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির ক্ষমতায় থাকা একটি প্রেক্ষাপটে, ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিমোশেঙ্কো যুদ্ধকালীন সময়ে নির্বাচন নিয়ে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জগুলো সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।