ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবি, না মানলে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 157

ছবি: সংগৃহীত

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তারা উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের দাবিগুলো বুধবার দুপুর ১টার মধ্যে পূরণ না হলে কুয়েটের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  বিএনপি-জামায়াত-এনসিপিসহ ৩০ দলের অংশগ্রহণে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শুরু

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা বলেন, পরিকল্পিতভাবে কুয়েটে ছাত্রদল ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও নাশকতার মামলা দায়ের করতে হবে। একই সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্থায়ী বহিষ্কার ও ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি জানানো হয়।

তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কিংবা বাইরে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারবেন না এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করতে হবে। কেউ এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তাকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।

শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুয়েট শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের বাইরে পর্যাপ্ত সংখ্যক সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করতে হবে। একই সঙ্গে হামলায় আহত সকল শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার কুয়েট প্রশাসনকে বহন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এখনো কুয়েট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, যা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবি, না মানলে ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিতের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১১:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তারা উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষার্থীরা জানায়, তাদের দাবিগুলো বুধবার দুপুর ১টার মধ্যে পূরণ না হলে কুয়েটের সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন  খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা গণতন্ত্রের পথে সহায়ক হবে: মির্জা ফখরুল

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা বলেন, পরিকল্পিতভাবে কুয়েটে ছাত্রদল ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও নাশকতার মামলা দায়ের করতে হবে। একই সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্থায়ী বহিষ্কার ও ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি জানানো হয়।

তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কিংবা বাইরে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারবেন না এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করতে হবে। কেউ এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে তাকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।

শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুয়েট শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্যাম্পাসের বাইরে পর্যাপ্ত সংখ্যক সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করতে হবে। একই সঙ্গে হামলায় আহত সকল শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার কুয়েট প্রশাসনকে বহন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এখনো কুয়েট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, যা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।