ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সিলেট টেস্টে ড্রয়ের সম্ভাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • / 32

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান সংগ্রহ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইতিমধ্যে তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রানে। চার দিনের খেলা শেষে মনে হচ্ছে, অঘটন না ঘটলে টেস্টটি ড্র হবে।

তবে বাংলাদেশকে জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে। টেস্টে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই এ জয় এসেছিল।

৩১৫ রানের লিড নিয়েও ইনিংস ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে ক্যারিবীয়রা, আর এর কারণও রয়েছে। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে ১৮৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তখন মনে হয়েছিল, ২০০ রানের আগেই হয়তো অলআউট হয়ে যাবে দলটি।

আরও পড়ুন  সিলেট টেস্টে ২৬৮ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

কিন্তু সেই অবস্থা থেকে দলকে ৩৮৬ রানে নিয়ে যান তাওহীদ হৃদয়। লেজের ব্যাটারদের নিয়ে তিনি অবিশ্বাস্য লড়াই করেন। তাঁর ২৪২ রানের ইনিংসের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১৫ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে দিলে শেষ দিনে বাংলাদেশ যদি তিন সেশনে ন্যূনতম ৯০ ওভার ব্যাটিং করতে পারে এবং ব্যাটাররা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারেন, তাহলে এক দিনে ৯০ ওভারে তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ রান করা মোটেও কষ্টের নয়।

সম্ভবত শেষ দিনের প্রথম সেশনে দ্রুত কিছু রান তুলে বড় লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে ড্রয়ের চিন্তা মাথায় রেখে উইকেট কামড়ে থাকতে চাইবে। এর ব্যতিক্রম হলে ঢাকা টেস্টের মতো সিলেটেও হেরে সিরিজ হাতছাড়া করতে হবে বাংলাদেশকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সিলেট টেস্টে ড্রয়ের সম্ভাবনা

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান সংগ্রহ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইতিমধ্যে তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রানে। চার দিনের খেলা শেষে মনে হচ্ছে, অঘটন না ঘটলে টেস্টটি ড্র হবে।

তবে বাংলাদেশকে জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে। টেস্টে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই এ জয় এসেছিল।

৩১৫ রানের লিড নিয়েও ইনিংস ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে ক্যারিবীয়রা, আর এর কারণও রয়েছে। প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে ১৮৪ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তখন মনে হয়েছিল, ২০০ রানের আগেই হয়তো অলআউট হয়ে যাবে দলটি।

আরও পড়ুন  সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের মোট লিড ১৫৬ রান

কিন্তু সেই অবস্থা থেকে দলকে ৩৮৬ রানে নিয়ে যান তাওহীদ হৃদয়। লেজের ব্যাটারদের নিয়ে তিনি অবিশ্বাস্য লড়াই করেন। তাঁর ২৪২ রানের ইনিংসের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৩০ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩১৫ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে দিলে শেষ দিনে বাংলাদেশ যদি তিন সেশনে ন্যূনতম ৯০ ওভার ব্যাটিং করতে পারে এবং ব্যাটাররা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারেন, তাহলে এক দিনে ৯০ ওভারে তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ রান করা মোটেও কষ্টের নয়।

সম্ভবত শেষ দিনের প্রথম সেশনে দ্রুত কিছু রান তুলে বড় লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে ড্রয়ের চিন্তা মাথায় রেখে উইকেট কামড়ে থাকতে চাইবে। এর ব্যতিক্রম হলে ঢাকা টেস্টের মতো সিলেটেও হেরে সিরিজ হাতছাড়া করতে হবে বাংলাদেশকে।