ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

সিলেট টেস্টে ২৬৮ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 10

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রানের জবাবে ২৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮৮ রান।

৫১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ার পর দলের হাল ধরার চেষ্টা করছেন তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। চতুর্থ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ৩৭ রান। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে হৃদয় ২৯ এবং মুশফিক ১৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশ এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২৬৮ রানে পিছিয়ে।

৩৫৬ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। নতুন বলে শামার জোসেফ ও জেইডেন সিলসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২২ রানেই দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে সেবা প্রদানের অনুমোদন পেল স্টারলিংক - চালু হচ্ছে আকাশপথে ইন্টারনেট সেবার নতুন দিগন্ত 

সাদমান ইসলামের চোটের কারণে ওপেনিংয়ে নামা নাঈম হাসান ৫ রান করে ফিরে যান। এরপর বিদায় নেন তানজিদ হাসান তামিম। কেভিন উইকহ্যামের দুর্দান্ত ক্যাচে থামার আগে ১৬ রান করেন তিনি।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়ের কাছ থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও তা পূরণ হয়নি। ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন শান্ত। হৃদয়ের সঙ্গে ২৯ রানের জুটি গড়ার পর শামার জোসেফের বলে বোল্ড হন তিনি। শান্তর বিদায়ে ৫১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দেন মুশফিকুর রহিম।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে শেষ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জোমেল ওয়ারিকান ও জেইডেন সিলস। দুজন মিলে ৬৭ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজ এই জুটি ভাঙেন। সিলসকে ১৫ রানে এলবিডব্লিউ করেন তিনি।

ওয়ারিকান ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ১০৬.৪ ওভার ব্যাট করে ৩৫৬ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন হাসান মাহমুদ। ৯০ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন তিনি। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ পেয়েছেন দুটি করে উইকেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট টেস্টে ২৬৮ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রানের জবাবে ২৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮৮ রান।

৫১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ার পর দলের হাল ধরার চেষ্টা করছেন তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। চতুর্থ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এসেছে ৩৭ রান। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে হৃদয় ২৯ এবং মুশফিক ১৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশ এখনো ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২৬৮ রানে পিছিয়ে।

৩৫৬ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। নতুন বলে শামার জোসেফ ও জেইডেন সিলসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২২ রানেই দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

আরও পড়ুন  ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে অবৈধ অভিবাসন রুখতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

সাদমান ইসলামের চোটের কারণে ওপেনিংয়ে নামা নাঈম হাসান ৫ রান করে ফিরে যান। এরপর বিদায় নেন তানজিদ হাসান তামিম। কেভিন উইকহ্যামের দুর্দান্ত ক্যাচে থামার আগে ১৬ রান করেন তিনি।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়ের কাছ থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও তা পূরণ হয়নি। ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন শান্ত। হৃদয়ের সঙ্গে ২৯ রানের জুটি গড়ার পর শামার জোসেফের বলে বোল্ড হন তিনি। শান্তর বিদায়ে ৫১ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর হৃদয়ের সঙ্গে যোগ দেন মুশফিকুর রহিম।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে শেষ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জোমেল ওয়ারিকান ও জেইডেন সিলস। দুজন মিলে ৬৭ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন। শেষ পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজ এই জুটি ভাঙেন। সিলসকে ১৫ রানে এলবিডব্লিউ করেন তিনি।

ওয়ারিকান ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ১০৬.৪ ওভার ব্যাট করে ৩৫৬ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন হাসান মাহমুদ। ৯০ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন তিনি। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ পেয়েছেন দুটি করে উইকেট।