ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’র অনুমোদন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 25

ছবি: সংগৃহীত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ধাপ অতিক্রম হয়েছে। ইউনিটটিতে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ শুরুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বলতে রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আগে আরও দুটি অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বায়রার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ব্যবস্থার সেফটি ভালভ (পিওআরভি/পিওএসভি) নিয়ে জটিলতার কারণে এতদিন ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করে সমস্যাটির সমাধান করেন।

আরও পড়ুন  লেবাননে সব অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা অনুমোদন

এরপর কয়েক দফা পরীক্ষায় সেফটি ভালভের কার্যকারিতা সন্তোষজনক বলে প্রমাণিত হয়। ফলে রিঅ্যাক্টরে নিয়ন্ত্রিতভাবে পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রিঅ্যাক্টর স্থির অবস্থা থেকে সক্রিয় অপারেশনাল পর্যায়ে প্রবেশ করবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথমে ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের অংশ হিসেবে রিঅ্যাক্টরকে তার নির্ধারিত তাপীয় ক্ষমতার ১ শতাংশের কম শক্তিস্তরে পরিচালনা করা হবে। এই পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে ‘ইনিশিয়াল ক্রিটিক্যালিটি’ বা প্রাথমিক ক্রিটিক্যালিটিতে নেওয়া হবে।

এরপর শুরু হবে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি—অর্থাৎ রিঅ্যাক্টরের ভেতরে প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন। এ সময় রিঅ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পরামিতি, সিস্টেম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা করা হবে।

ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটিসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। পরীক্ষাগুলোর ফল সন্তোষজনক হলে পর্যায়ক্রমে রিঅ্যাক্টরের উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর কাজ শুরু হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’র অনুমোদন

আপডেট সময় ০৯:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ধাপ অতিক্রম হয়েছে। ইউনিটটিতে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ শুরুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বলতে রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আগে আরও দুটি অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বায়রার চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রথম ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ব্যবস্থার সেফটি ভালভ (পিওআরভি/পিওএসভি) নিয়ে জটিলতার কারণে এতদিন ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করে সমস্যাটির সমাধান করেন।

আরও পড়ুন  ৩৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের

এরপর কয়েক দফা পরীক্ষায় সেফটি ভালভের কার্যকারিতা সন্তোষজনক বলে প্রমাণিত হয়। ফলে রিঅ্যাক্টরে নিয়ন্ত্রিতভাবে পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রিঅ্যাক্টর স্থির অবস্থা থেকে সক্রিয় অপারেশনাল পর্যায়ে প্রবেশ করবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথমে ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের অংশ হিসেবে রিঅ্যাক্টরকে তার নির্ধারিত তাপীয় ক্ষমতার ১ শতাংশের কম শক্তিস্তরে পরিচালনা করা হবে। এই পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে ‘ইনিশিয়াল ক্রিটিক্যালিটি’ বা প্রাথমিক ক্রিটিক্যালিটিতে নেওয়া হবে।

এরপর শুরু হবে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি—অর্থাৎ রিঅ্যাক্টরের ভেতরে প্রথম স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন। এ সময় রিঅ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পরামিতি, সিস্টেম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা করা হবে।

ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটিসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। পরীক্ষাগুলোর ফল সন্তোষজনক হলে পর্যায়ক্রমে রিঅ্যাক্টরের উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর কাজ শুরু হবে।