‘জায়নবাদ বর্ণবাদ’, নীতি গ্রহণ ব্রিটেনের গ্রিন পার্টির
- আপডেট সময় ১২:০৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 22
জায়নবাদকে ‘বর্ণবাদের একটি রূপ’ হিসেবে ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিক নীতি গ্রহণ করেছে ব্রিটেনের গ্রিন পার্টি। রোববার (৪ অক্টোবর) ব্রাইটনে দলের বার্ষিক সম্মেলনে এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে অনুমোদিত হয়।
প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন ১ হাজার ২২ জন সদস্য। বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৮১৩টি। এর মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে গ্রিন পার্টির আনুষ্ঠানিক নীতিতে জায়নবাদকে অন্যান্য ধরনের বর্ণবাদের মতো বিবেচনার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলো।
দলের ভাষ্য, প্রস্তাবটিতে জায়নবাদকে একটি ‘জাতিগত-জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক প্রকল্প’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। একই সঙ্গে জায়নবাদবিরোধিতাকে ইহুদিবিদ্বেষের সঙ্গে এক করে দেখার বিরোধিতা করা হয়েছে।
প্রস্তাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে বয়কট, বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা (বিডিএস) কর্মসূচির প্রতি দলের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ইসরাইলের ওপর পূর্ণাঙ্গ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার দাবিও জানানো হয়েছে।
গ্রিন পার্টির এক মুখপাত্র বলেন, দলটি একটি ‘বর্ণবাদবিরোধী দল’ এবং ফিলিস্তিনি ও সিরীয় ভূখণ্ডের অবৈধ দখল হিসেবে তারা যা মনে করে, তার বিরোধিতা করে আসছে।
এর আগে ২০২৪ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসরাইল সরকারকে ‘অ্যাপারথেইড’ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছিল গ্রিন পার্টি। সে সময় দলটি ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অ্যাপারথেইড কনভেনশন এবং ১৯৯৮ সালের রোম স্ট্যাটিউটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর উল্লেখ করেছিল।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের ‘জায়নবাদ বর্ণবাদ’ শীর্ষক প্রস্তাবটি ‘গ্রিনস ফর প্যালেস্টাইন’ নামের একটি গোষ্ঠী উত্থাপন করে। এতে বলা হয়েছে, জায়নবাদ একটি জাতিগত গোষ্ঠীকে অন্যদের অধীনস্থ করার মাধ্যমে বিশেষ সুবিধা দেয়।
তবে প্রস্তাবটিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এর উদ্দেশ্য জায়নবাদকে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ ও চর্চা হিসেবে মোকাবিলা করা। জায়নবাদে বিশ্বাসী ব্যক্তিদের ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়কে এর লক্ষ্যবস্তু করা নয়।





















