ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 38

ছবি: সংগৃহীত

 

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে চার দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে একই দিন সকালে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন  বান্দরবানে দুলাভাই হাতে শালি ধর্ষণ

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাওনা টাকা চাইতে গেলে ওই নারীকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকার মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়। এ সময় রুহুল আমিন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই নারীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান।

শনিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুজনকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের হেফাজতে নেয়। এ সময় ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।

হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তা তদন্তাধীন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৫:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

 

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে চার দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে একই দিন সকালে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন  এনএসআই কর্মকর্তা পরিচয়ে সংসদ সদস্যের কাছে চাঁদা দাবি, যুবক গ্রেপ্তার

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পাওনা টাকা চাইতে গেলে ওই নারীকে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকার মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়। এ সময় রুহুল আমিন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই নারীকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান।

শনিবার দিবাগত রাতে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুজনকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের হেফাজতে নেয়। এ সময় ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।

হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তা তদন্তাধীন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।