একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৫:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 26
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ কারও প্রভুত্ব মেনে নিতে রাজি নয়; বরং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নরসিংদীর মনোহরদীতে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনোহরদী জোনাল অফিসের আওতায় কাটাবাড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এদিকে ভারত থেকে হুংকার দেওয়া হয়, তিনি ডিসেম্বরে দেশে ঢুকবেন। আর এখান থেকে উনারা বলেন, ডিসেম্বরে আমাদের পতন ঘটাবে। একাত্তরের পরাজিত রাজাকার ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দোসররা—এই দুই পরাজিত শক্তি এখন একত্রিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও প্রভুত্বে রাজি নই। আমরা বন্ধুত্ব করতে চাই পারস্পরিক স্বার্থের বিনিময়ে।’
বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রসঙ্গে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার কুইক রেন্টালের নামে লক্ষ লক্ষ ডলার বিদেশে পাচার করেছে। বর্তমানে দেশের আটটি গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরের একদিকে মিয়ানমার সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে, অন্যদিকে ভারত গ্যাস উত্তোলন করছে। অথচ ভারতকে খুশি করতে গিয়ে বাংলাদেশে একটি গ্যাসকূপও করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, এখন বেশি দামে গ্যাস এনে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে সমুদ্রে কয়েকটি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কূপ খনন করা হলে পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাবে এবং তা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পানি বণ্টন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত সুষ্ঠুভাবে পানি বণ্টন না করলে চীনের সহযোগিতা নিয়ে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করে বর্ষা মৌসুমে পানি আটকে রাখা হবে।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জিএম মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মনোহরদী জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ফযীলত রাব্বী মুমিমাহ, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বাদশা, কাঁচিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক হোসেনসহ অন্যরা।

























