একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে তিন মৃ/ত্যু/দ/ণ্ড কার্যকর
- আপডেট সময় ০১:১১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 36
যুক্তরাষ্ট্রে ওকলাহোমা, টেনেসি ও আলাবামা অঙ্গরাজ্যে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করে তিন দণ্ডিত খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ২০১০ সালের পর একই দিনে দেশটিতে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানিয়েছে মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক তথ্যকেন্দ্র ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টার (ডিপিআইসি)।
টেনেসিতে অ্যান্থনি হাইন্স (৬৬) নামের এক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ১৯৮৫ সালের মার্চে মোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও চার সন্তানের জননী ক্যাথরিন জেনকিন্সকে (৫৪) হত্যার দায়ে তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। ন্যাশভিলের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত একটি কারাগারে তার সাজা কার্যকর করা হয়।
এর আগে গত মে মাসে টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরেক আসামির সাজা কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। চিকিৎসাকর্মীরা তার রক্তনালি খুঁজে পেতে ব্যর্থ হওয়ায় সেই প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়। এরপর অঙ্গরাজ্যটিতে হাইন্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরই ছিল প্রথম ঘটনা।
ওকলাহোমার ম্যাকালেস্টার কারাগারে কার্লোস কুয়েস্তা-রদ্রিগেজ (৭০) নামের আরেক আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে, ২০০৩ সালে তার ‘লিভ-ইন’ সঙ্গী ওলিম্পিয়া ফিশারকে হত্যার দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
আলাবামায় ৪২ বছর বয়সী জেরেমি উইলিয়ামসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০২১ সালে কামারি হোল্যান্ড নামের পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে তার সাজা কার্যকর করা হয়েছে।
ডিপিআইসির হিসাব অনুযায়ী, এই তিনজনকে নিয়ে চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ফ্লোরিডায় ১২ জন, টেক্সাসে চারজন, ওকলাহোমায় তিনজন এবং অ্যারিজোনা, টেনেসি ও আলাবামায় একজন করে আসামির সাজা কার্যকর হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ২৩টিতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া, ওরেগন ও পেনসিলভানিয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ রয়েছে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল, যা ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০০৯ সালে দেশটিতে ৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। গত বছর কার্যকর হওয়া মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে ৩৯টি ক্ষেত্রে বিষাক্ত ইনজেকশন, তিনটি ক্ষেত্রে ফায়ারিং স্কোয়াড এবং পাঁচটি ক্ষেত্রে নাইট্রোজেন হাইপোক্সিয়া পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
নাইট্রোজেন হাইপোক্সিয়া পদ্ধতিতে মাস্কের মাধ্যমে নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করা হয়। জাতিসংঘ এ পদ্ধতিকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক হিসেবে আখ্যায়িত করে এর নিন্দা জানিয়েছে।
























