এক মায়ের চোখে নতুন আলো, পাশে এমপি সালাউদ্দিন বাবু; চীনে অধ্যয়নরত ছেলের কৃতজ্ঞতা
- আপডেট সময় ১১:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 2
এক মায়ের চোখে নতুন আলো, পাশে এমপি সালাউদ্দিন বাবু; চীনে অধ্যয়নরত ছেলের কৃতজ্ঞতাচীনে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মায়ের চোখের সফল অস্ত্রোপচারে মানবিক সহায়তা দিয়েছেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ড. সালাউদ্দিন বাবু।
পরিবারের আর্থিক ও ব্যক্তিগত সংকটের কথা জানার পর তাঁর উদ্যোগে লায়ন্স আই হাসপাতালের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীর মায়ের অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী।
চীনে মাস্টার্স পর্যায়ে গবেষণারত ওই শিক্ষার্থী জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং রাজনীতির সঙ্গেও তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করছেন।
শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তাঁর বাবা অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী। মায়ের অসুস্থতার কারণে পরিবার দীর্ঘদিন ধরে কঠিন সময় পার করছে। এমনকি মায়ের চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কারণে তাঁকে নিজের পড়াশোনার একটি সেমিস্টারও স্থগিত রাখতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি প্রথমবারের মতো ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ড. সালাউদ্দিন বাবুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিবারের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে শোনার পর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রত্যাশা ছাড়াই মানবিক বিবেচনায় এমপি সালাউদ্দিন বাবু লায়ন্স আই হাসপাতালের মাধ্যমে তাঁর মায়ের চোখের অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করতে সহযোগিতা করেন।
শিক্ষার্থীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, একজন সন্তান হিসেবে মায়ের সুস্থতা এবং আবার স্বাভাবিকভাবে দেখতে পারার সম্ভাবনা তাঁর জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়।
তিনি সংসদ সদস্য ড. সালাউদ্দিন বাবুর পাশাপাশি লায়ন্স আই হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক ও সংশ্লিষ্ট টিমের সদস্য জাহিরুল ইসলাম শিপনসহ চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
শিক্ষার্থী বলেন, তাঁর পরিচয় কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়; তিনি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী, একজন সন্তান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখা একজন তরুণ। তাঁর মতে, কঠিন সময়ে একজন জনপ্রতিনিধির মানবিক সহযোগিতা সাধারণ মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এমন সহায়তা আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকে।
শেষে তিনি তাঁর মায়ের সুস্থতা কামনা করেন এবং যাঁরা এই কঠিন সময়ে তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সবার জন্য শুভকামনা ও দোয়া করেন।























