জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস ঘিরে দেশজুড়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াল র্যাব
- আপডেট সময় ১২:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 26
আগামী বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বাহিনীটির দাবি, সম্ভাব্য নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা, টহল কার্যক্রম এবং সাইবার নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ দমনে র্যাব নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছে। নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে পৃথক পরিকল্পনা তৈরি করেছে। পাশাপাশি আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত রুট এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত থেকেই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। দায়িত্ব পালনে ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকের সদস্যরাও নজরদারিতে থাকবেন।
এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলার অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দিবসের সাত দিন আগে থেকেই ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সাইবার পেট্রোলিংও জোরদার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা জানিয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাহিনীটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে।























