ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ২৭ এমএমএম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / 56

ছবি সংগৃহীত

 

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। থাইল্যান্ডের রাজধানীর চাতুচাক এলাকায় সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন এখনও নিখোঁজ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত ১২টার কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। সে সময় বারের ভেতরে আটকা পড়া মানুষজন প্রাণ বাঁচাতে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ভবনের সামনের অংশ দিয়ে আগুনের তীব্র শিখা বের হতে এবং আতঙ্কিত মানুষকে ছুটোছুটি করতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন  গাজীপুরের ঝুট গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই ঘটনাস্থল থেকে ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন প্রথম দেখতে পেয়ে এক পথচারী জরুরি সেবায় ফোন করেন। পরে তিনি জানালার কাচ ভেঙে অন্তত দুজনকে উদ্ধার করেন।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল জানান, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের একটি সুইচ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বারে ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে অনেকেই ভবনের পেছনের শৌচাগারে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে সেখান থেকেই অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বারের ভেতরে থাকা দাহ্য সাজসজ্জার উপকরণ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। পাশাপাশি জরুরি নির্গমনপথ টেবিল-চেয়ার দিয়ে আংশিকভাবে বাধাগ্রস্ত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ২৭ এমএমএম

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

 

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। থাইল্যান্ডের রাজধানীর চাতুচাক এলাকায় সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী রয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন এখনও নিখোঁজ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত ১২টার কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিস। সে সময় বারের ভেতরে আটকা পড়া মানুষজন প্রাণ বাঁচাতে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ভবনের সামনের অংশ দিয়ে আগুনের তীব্র শিখা বের হতে এবং আতঙ্কিত মানুষকে ছুটোছুটি করতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন  নাইজেরিয়ার কানো প্রদেশে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ২১ ক্রীড়াবিদের মৃত্যু

ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই ঘটনাস্থল থেকে ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন প্রথম দেখতে পেয়ে এক পথচারী জরুরি সেবায় ফোন করেন। পরে তিনি জানালার কাচ ভেঙে অন্তত দুজনকে উদ্ধার করেন।

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল জানান, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের একটি সুইচ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বারে ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে অনেকেই ভবনের পেছনের শৌচাগারে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে সেখান থেকেই অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বারের ভেতরে থাকা দাহ্য সাজসজ্জার উপকরণ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। পাশাপাশি জরুরি নির্গমনপথ টেবিল-চেয়ার দিয়ে আংশিকভাবে বাধাগ্রস্ত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।