ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / 16

ছবি: সংগৃহীত

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। কম্পনের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হলেও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিটে, বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের ওকিনাওয়া জেলার মিয়াকো দ্বীপের হিরারা শহর থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হওয়ায় কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জাপানের সংশ্লিষ্ট ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা সম্ভাব্য সুনামির সতর্কতা জারি করে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। এ কারণে দেশটিতে প্রায়ই বিভিন্ন মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১১ মার্চ জাপানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

সূত্র: গালফ নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

দক্ষিণ জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প

আপডেট সময় ০৪:১২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। কম্পনের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হলেও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫ মিনিটে, বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল জাপানের ওকিনাওয়া জেলার মিয়াকো দ্বীপের হিরারা শহর থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হওয়ায় কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর জাপানের সংশ্লিষ্ট ভূমিকম্প গবেষণা সংস্থা সম্ভাব্য সুনামির সতর্কতা জারি করে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। এ কারণে দেশটিতে প্রায়ই বিভিন্ন মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১১ মার্চ জাপানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৯ দশমিক ১ মাত্রার ওই ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

সূত্র: গালফ নিউজ।