ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

কেশম দ্বীপে হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 81

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে ইরানের ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবিও করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ইরান আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। তবে তাদের দাবি অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের কোনোটিই নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারেনি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের দিকে নিক্ষেপ করা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ে বা মাঝপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যদিকে বাহরাইনের উদ্দেশে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও বাহরাইনের যৌথ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নাইজেরিয়ায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে বন্দুকধারীদের পৃথক হামলায় নিহত ২৫

এর আগে বাহরাইন ও কুয়েতে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠার খবর পাওয়া যায়, যা অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

এদিকে ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কেশম শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেশম দ্বীপটি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের কাছাকাছি এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির প্রবেশদ্বারে অবস্থিত। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা ও ঘাঁটি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক করিডরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর নজর রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে হরমুজ অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কেশম দ্বীপে হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ১০:২৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ‘আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে ইরানের ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার দাবিও করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ইরান আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। তবে তাদের দাবি অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের কোনোটিই নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে পারেনি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের দিকে নিক্ষেপ করা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই ভেঙে পড়ে বা মাঝপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যদিকে বাহরাইনের উদ্দেশে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র ও বাহরাইনের যৌথ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে গির্জায় সাবেক মার্কিন সেনার গুলি, হামলাকারীসহ নিহত ৫

এর আগে বাহরাইন ও কুয়েতে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠার খবর পাওয়া যায়, যা অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

এদিকে ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কেশম শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেশম দ্বীপটি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের কাছাকাছি এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির প্রবেশদ্বারে অবস্থিত। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ অঞ্চলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা ও ঘাঁটি রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক করিডরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর নজর রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে হরমুজ অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।