ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন সেতুমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 94

ছবি সংগৃহীত

 

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় চার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার, ২২ মে কুমিল্লায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় চেক বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন  মেহেরপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

শেখ রবিউল আলম বলেন, তিনি অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চান না। যেসব পরিবার দুর্ঘটনায় স্বজন হারিয়েছে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। সম্প্রতি ঈদের আগে ঘটে যাওয়া একটি বড় দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে পরিস্থিতির উন্নতিতে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, পরিবহন মালিক, চালক ও সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আনফিট ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন সড়কে চলতে দেওয়া যাবে না এবং দক্ষ চালকের হাতেই যানবাহনের দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শেখ রবিউল আলম জানান, মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে আন্ডারপাস, ওভারপাস ও ইউটার্ন সুবিধা বাড়ানো গেলে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আরও সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে সেই পরিবারকে কীভাবে সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চাকরি ও অন্যান্য সেবায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জনগণকে সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এর আগে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন সেতুমন্ত্রী। সেখানে টোল প্লাজার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং যাত্রীসেবা আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইলেন সেতুমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

 

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় চার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে, যা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার, ২২ মে কুমিল্লায় জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় চেক বিতরণ ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন  মেহেরপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

শেখ রবিউল আলম বলেন, তিনি অনুষ্ঠানটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চান না। যেসব পরিবার দুর্ঘটনায় স্বজন হারিয়েছে, তাদের প্রতি সমবেদনা জানাতেই সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। সম্প্রতি ঈদের আগে ঘটে যাওয়া একটি বড় দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও আটজন আহত হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি নিহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তবে পরিস্থিতির উন্নতিতে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, পরিবহন মালিক, চালক ও সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আনফিট ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন সড়কে চলতে দেওয়া যাবে না এবং দক্ষ চালকের হাতেই যানবাহনের দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শেখ রবিউল আলম জানান, মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে আন্ডারপাস, ওভারপাস ও ইউটার্ন সুবিধা বাড়ানো গেলে দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আরও সম্প্রসারণের কাজ চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মারা গেলে সেই পরিবারকে কীভাবে সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চাকরি ও অন্যান্য সেবায় বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জনগণকে সড়ক ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এর আগে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মেঘনা-গোমতী সেতু টোল প্লাজা পরিদর্শন করেন সেতুমন্ত্রী। সেখানে টোল প্লাজার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন এবং যাত্রীসেবা আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।