ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ট্রেনের ঈদ অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু; প্রথম দিনেই ২৩ মে’র টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 89

ছবি সংগৃহীত

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেলযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

বুধবার (১৩ মে) সকাল ৮টা থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৩ মে’র অগ্রিম টিকিট দেওয়া হচ্ছে। টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রা শুরু, ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিনা টিকিটে ভ্রমণে জিরো সহনশীলতা

রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ বুধবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট যাত্রীরা দুপুর ২টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা ঘরে বসেই এই টিকিট কাটতে পারছেন।

ঈদের আগে পাঁচ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, সে অনুযায়ী আগামী ১৪ মে দেওয়া হবে ২৪ মে’র টিকিট। একইভাবে ১৫ মে মিলবে ২৫ মে’র টিকিট, ১৬ মে দেওয়া হবে ২৬ মে’র টিকিট এবং ১৭ মে পাওয়া যাবে ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট। এছাড়া ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ নিয়ম জারি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। একজন যাত্রী অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবারই টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতিবারে সর্বাধিক চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকছে। তবে এই বিশেষ অগ্রিম টিকিট রিফান্ড বা ফেরত দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ যাত্রীদের বিশেষ অনুরোধের কথা মাথায় রেখে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং বা দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট রাখা হয়েছে। এই টিকিটগুলো যাত্রার দিন সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। অনলাইনের চাপ কমাতে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়াটি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি বা কালোবাজারির সুযোগ না থাকে। যাত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে টিকিট কাটতে পারেন সেজন্য সার্ভার সক্ষমতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রেনের ঈদ অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু; প্রথম দিনেই ২৩ মে’র টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেলযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

বুধবার (১৩ মে) সকাল ৮টা থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় আগামী ২৩ মে’র অগ্রিম টিকিট দেওয়া হচ্ছে। টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রায় তিনস্তরের নিরাপত্তা, মাঠে র‍্যাবের বিশেষ টিম

রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ বুধবার সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট যাত্রীরা দুপুর ২টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা ঘরে বসেই এই টিকিট কাটতে পারছেন।

ঈদের আগে পাঁচ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, সে অনুযায়ী আগামী ১৪ মে দেওয়া হবে ২৪ মে’র টিকিট। একইভাবে ১৫ মে মিলবে ২৫ মে’র টিকিট, ১৬ মে দেওয়া হবে ২৬ মে’র টিকিট এবং ১৭ মে পাওয়া যাবে ২৭ মে’র অগ্রিম টিকিট। এছাড়া ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ নিয়ম জারি করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। একজন যাত্রী অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবারই টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতিবারে সর্বাধিক চারটি টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকছে। তবে এই বিশেষ অগ্রিম টিকিট রিফান্ড বা ফেরত দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ যাত্রীদের বিশেষ অনুরোধের কথা মাথায় রেখে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং বা দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট রাখা হয়েছে। এই টিকিটগুলো যাত্রার দিন সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। অনলাইনের চাপ কমাতে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়াটি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি বা কালোবাজারির সুযোগ না থাকে। যাত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে টিকিট কাটতে পারেন সেজন্য সার্ভার সক্ষমতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।