ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ

ঈদযাত্রা শুরু, ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিনা টিকিটে ভ্রমণে জিরো সহনশীলতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 252

ছবি সংগৃহীত

 

 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের মানুষের বাড়ি ফেরা শুরু হয়েছে আজ সোমবার (২৪ মার্চ) ভোর থেকে। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ছাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ঈদযাত্রা।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী হয়রানি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

ঈদকে ঘিরে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলবে বিশেষ ট্রেন, থাকবে অতিরিক্ত কোচ সব মিলিয়ে এবারের যাত্রাকে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন প্রস্তুতি।

আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয় ১৪ মার্চ থেকে এবং শেষ হয় ২০ মার্চ। যারা আজ যাত্রা করছেন, তারা এরই মধ্যে সেই আগাম টিকিট সংগ্রহ করেছেন। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার বিনা টিকিটে কেউ ট্রেনে উঠতে পারবে না। আগে যেখানে কিছুটা নমনীয়তা দেখানো হতো, এবার সেখানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে চলবে রেল কর্তৃপক্ষ। বিনা টিকিটে পাওয়া গেলে গুনতে হবে বড় অঙ্কের জরিমানা এবং প্রয়োজনে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।

নিরাপত্তার দিকেও রয়েছে বাড়তি নজরদারি। কমলাপুর, বিমানবন্দর, জয়দেবপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রধান স্টেশনে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র‍্যাব ও রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলন্ত ট্রেনেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলন্ত ট্রেন বা রেলপথে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কাজ করছে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা। সঙ্গে রয়েছে র‍্যাব, বিজিবি ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত টহল। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা হুমকি কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অনুরোধ করেছে কেউ যেন বিনা টিকিটে যাত্রা না করে এবং যেকোনো সন্দেহজনক আচরণ বা ব্যক্তি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানায়। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সম্মিলিত এই উদ্যোগেই ভরসা রাখছেন ঘরমুখো মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রা শুরু, ট্রেনে বাড়তি নিরাপত্তা ও বিনা টিকিটে ভ্রমণে জিরো সহনশীলতা

আপডেট সময় ০৪:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের মানুষের বাড়ি ফেরা শুরু হয়েছে আজ সোমবার (২৪ মার্চ) ভোর থেকে। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ছাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ঈদযাত্রা।

আরও পড়ুন  জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নতুন ৫ অস্থায়ী সদস্য

ঈদকে ঘিরে যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। চলবে বিশেষ ট্রেন, থাকবে অতিরিক্ত কোচ সব মিলিয়ে এবারের যাত্রাকে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ করতে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন প্রস্তুতি।

আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয় ১৪ মার্চ থেকে এবং শেষ হয় ২০ মার্চ। যারা আজ যাত্রা করছেন, তারা এরই মধ্যে সেই আগাম টিকিট সংগ্রহ করেছেন। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার বিনা টিকিটে কেউ ট্রেনে উঠতে পারবে না। আগে যেখানে কিছুটা নমনীয়তা দেখানো হতো, এবার সেখানে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে চলবে রেল কর্তৃপক্ষ। বিনা টিকিটে পাওয়া গেলে গুনতে হবে বড় অঙ্কের জরিমানা এবং প্রয়োজনে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা।

নিরাপত্তার দিকেও রয়েছে বাড়তি নজরদারি। কমলাপুর, বিমানবন্দর, জয়দেবপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রধান স্টেশনে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র‍্যাব ও রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলন্ত ট্রেনেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলন্ত ট্রেন বা রেলপথে কোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কাজ করছে আরএনবি, জিআরপি ও রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা। সঙ্গে রয়েছে র‍্যাব, বিজিবি ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত টহল। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তা হুমকি কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের অনুরোধ করেছে কেউ যেন বিনা টিকিটে যাত্রা না করে এবং যেকোনো সন্দেহজনক আচরণ বা ব্যক্তি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানায়। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সম্মিলিত এই উদ্যোগেই ভরসা রাখছেন ঘরমুখো মানুষ।