ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎

৬ জুন থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোর কমিটির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 69

ছবি সংগৃহীত

 

বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে দুই বছর আগে মাঠে নামা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আগামী জুনের মধ্যেই চূড়ান্তভাবে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেন।

গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৬ জুন থেকে ধাপে ধাপে সারা দেশ থেকে সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার শুরু হবে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ বাহিনী ভেঙে পড়লে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মাঠেই থেকে যায়।

পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার তাদের বিচারিক ক্ষমতাও প্রদান করে। নির্বাচিত বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন তাদের নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হলো। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সারা দেশে মাঠপর্যায়ে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনের ফলে সদস্যদের ক্লান্তি ও বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাঁদের প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথমে দূরবর্তী জেলা এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে নেওয়া হবে।

কোর কমিটির এই সভায় আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে যাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ নেই, তাঁদের জামিন না আটকানো এবং বিদেশ ভ্রমণে হয়রানি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল এবং মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চাঁদাবাজির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সভায় বলা হয়, অপরাধীর দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে মামলা দায়ের করা হবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, পুলিশের পোশাক নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে জানানো হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাক নেভি ব্লু শার্ট ও খাকি প্যান্টই বহাল থাকছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

৬ জুন থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোর কমিটির

আপডেট সময় ০৬:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে দুই বছর আগে মাঠে নামা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আগামী জুনের মধ্যেই চূড়ান্তভাবে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেন।

গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৬ জুন থেকে ধাপে ধাপে সারা দেশ থেকে সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার শুরু হবে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিল। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ বাহিনী ভেঙে পড়লে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মাঠেই থেকে যায়।

পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার তাদের বিচারিক ক্ষমতাও প্রদান করে। নির্বাচিত বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এখন তাদের নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হলো। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সারা দেশে মাঠপর্যায়ে প্রায় ১৭ হাজার সেনাসদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনের ফলে সদস্যদের ক্লান্তি ও বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাঁদের প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথমে দূরবর্তী জেলা এবং পরবর্তীতে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে নেওয়া হবে।

কোর কমিটির এই সভায় আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে যাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ নেই, তাঁদের জামিন না আটকানো এবং বিদেশ ভ্রমণে হয়রানি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল এবং মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চাঁদাবাজির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে সভায় বলা হয়, অপরাধীর দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে মামলা দায়ের করা হবে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদলের পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, পুলিশের পোশাক নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে জানানো হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাক নেভি ব্লু শার্ট ও খাকি প্যান্টই বহাল থাকছে।