ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়: আইনমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 100

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যান্য আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই সক্রিয় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী জানান, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর থেকে কমিয়ে ৬৫ বছরে নামিয়ে আনার বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই বয়সের সময়সীমা কমানোর প্রস্তাবের পক্ষে নন।
তবে এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বা উদ্যোগ এলে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধান বিচারপতি তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আইনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনা ও পরিবারের ১২৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ: আদালতের নির্দেশ

মানবাধিকার ও আইনি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রী আরও জানান, মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুমবিরোধী আইনের আধুনিকায়ন ও সংস্কার নিয়ে আগামী ১৭ মে একটি উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এই সভার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকটিও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া যেন প্রশ্নাতীত হয়, সে লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালের সকল বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
বিদেশে পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যান্য আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই সক্রিয় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী জানান, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর থেকে কমিয়ে ৬৫ বছরে নামিয়ে আনার বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই বয়সের সময়সীমা কমানোর প্রস্তাবের পক্ষে নন।
তবে এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব বা উদ্যোগ এলে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধান বিচারপতি তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আইনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনাসহ জড়িতদের গুরুত্বপূর্ণ কলরেকর্ড প্রসিকিউশনের হাতে

মানবাধিকার ও আইনি সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রী আরও জানান, মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুমবিরোধী আইনের আধুনিকায়ন ও সংস্কার নিয়ে আগামী ১৭ মে একটি উচ্চপর্যায়ের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এই সভার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকটিও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া যেন প্রশ্নাতীত হয়, সে লক্ষ্যে ট্রাইব্যুনালের সকল বিভাগকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
বিদেশে পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।