ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

রামপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 91

ছবি সংগৃহীত

 

বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ মালিকানাধীন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। গত এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটি থেকে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। বিআইএফপিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৯ শতাংশের বেশি পূরণ করছে, যা জাতীয় বিদ্যুৎ নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রোববার (৩ মে) দুপুরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। আধুনিক নকশা এবং কারিগরি উৎকর্ষের কারণেই এমন ধারাবাহিক উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি।

বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমানাথ পূজারী এই অর্জনকে দুই দেশের মধ্যকার সফল সহযোগিতার অনন্য নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, কেন্দ্রটি বর্তমানে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি-র বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই পরিচালনার মূল দায়িত্বে রয়েছেন একদল দক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলী, যারা এনটিপিসি থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এনটিপিসি বর্তমানে কেবল উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা প্রদান করছে।

বিআইএফপিসিএল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, স্থানীয় মেধাবী প্রকৌশলীদের মাধ্যমে এই বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি মাইলফলক। কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদিত এই রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ দেশের শিল্প ও আবাসিক খাতে বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন বজায় রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কয়লার জোগান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

রামপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

আপডেট সময় ০৭:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

বাগেরহাটের রামপালে অবস্থিত বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ মালিকানাধীন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। গত এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটি থেকে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। বিআইএফপিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৯ শতাংশের বেশি পূরণ করছে, যা জাতীয় বিদ্যুৎ নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

রোববার (৩ মে) দুপুরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। আধুনিক নকশা এবং কারিগরি উৎকর্ষের কারণেই এমন ধারাবাহিক উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি।

বিআইএফপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমানাথ পূজারী এই অর্জনকে দুই দেশের মধ্যকার সফল সহযোগিতার অনন্য নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, কেন্দ্রটি বর্তমানে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি-র বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই পরিচালনার মূল দায়িত্বে রয়েছেন একদল দক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশলী, যারা এনটিপিসি থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। এনটিপিসি বর্তমানে কেবল উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা প্রদান করছে।

বিআইএফপিসিএল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, স্থানীয় মেধাবী প্রকৌশলীদের মাধ্যমে এই বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি মাইলফলক। কেন্দ্রটি থেকে উৎপাদিত এই রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ দেশের শিল্প ও আবাসিক খাতে বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন বজায় রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও কয়লার জোগান নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।