ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির অভিযোগে অতিরিক্ত পরিচালক বরখাস্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 100

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মো. শাহিদুল হাসানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) হাসপাতালের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও রেজিস্ট্রারের চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ডা. শাহিদুল হাসান নিয়মবহির্ভূতভাবে পিসি হাফিজুল ইসলামকে ডেকে হাসপাতাল থেকে হুন্দাই কোম্পানির মালামাল বের করার মৌখিক নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  স্বাস্থ্যখাতে সংস্কারে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

অভিযোগ করা হয়েছে, কোনো প্রকার লিখিত আদেশ ছাড়াই তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া মালামালগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও সে সময় প্রকল্প পরিচালক বা হাসপাতালের পরিচালককে বিষয়টি অবহিত না করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।

বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. শাহিদুলের মৌখিক নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করেই ওইদিন সন্ধ্যায় দুই ট্রাক মালামাল হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে রাত ১১টার দিকে আরও চার ট্রাক মালামাল বের করার সময় স্থানীয়দের সঙ্গে বাদানুবাদ সৃষ্টি হলেও তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাননি। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে এসব ঘটনাকে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১৩(১) ধারা অনুযায়ী এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে বেতন ও ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। গত ২১ এপ্রিল এই চুরির ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির অভিযোগে অতিরিক্ত পরিচালক বরখাস্ত

আপডেট সময় ০৭:১৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

 

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মো. শাহিদুল হাসানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) হাসপাতালের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। তদন্ত প্রতিবেদন ও রেজিস্ট্রারের চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ডা. শাহিদুল হাসান নিয়মবহির্ভূতভাবে পিসি হাফিজুল ইসলামকে ডেকে হাসপাতাল থেকে হুন্দাই কোম্পানির মালামাল বের করার মৌখিক নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে ১৩৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে চীন: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

অভিযোগ করা হয়েছে, কোনো প্রকার লিখিত আদেশ ছাড়াই তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া মালামালগুলো একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও সে সময় প্রকল্প পরিচালক বা হাসপাতালের পরিচালককে বিষয়টি অবহিত না করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে।

বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডা. শাহিদুলের মৌখিক নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করেই ওইদিন সন্ধ্যায় দুই ট্রাক মালামাল হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে রাত ১১টার দিকে আরও চার ট্রাক মালামাল বের করার সময় স্থানীয়দের সঙ্গে বাদানুবাদ সৃষ্টি হলেও তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাননি। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে এসব ঘটনাকে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১৩(১) ধারা অনুযায়ী এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে বেতন ও ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। গত ২১ এপ্রিল এই চুরির ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।