ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ঘরে ঘরে সুফল পৌঁছাবে: বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপত্তায় ইরানের বিশেষ নির্দেশনা নাহিদ রানার বিধ্বংসী ৫ উইকেট; নিউজিল্যান্ডকে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে দিল বাংলাদেশ বুলগেরিয়া ইতিহাস, পাহাড় আর সংস্কৃতির দেশ নিরাপত্তা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ অ্যাপের মাধ্যমে তেল নিতে পারবেন আরও ১৯ জেলার গ্রাহক বগুড়ায় ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতিবাজদের জন্য এনসিপির দরজা বন্ধ: নাহিদ অতীত সরকারের ব্যর্থতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অতীত সরকারের ব্যর্থতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

ছবি সংগৃহীত

 

অতীতের সরকারগুলোর চরম ব্যর্থতা ও অনিয়মের কারণে সারাদেশে হাম নিয়ে একটি ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে জিন্দাপার্কে দেশব্যাপী হাম ও রুবেলার তৃতীয় দফার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্ববর্তী অগণতান্ত্রিক সরকারগুলো যথাযথভাবে টিকা কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারেনি এবং সর্বশেষ ২০২০ সালে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার পর দীর্ঘ বিরতির কারণেই বর্তমানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়মিত টিকা কার্যক্রম না চলায় শিশুদের একটি বড় অংশ জীবনঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় তহবিলের সংকট ছিল এবং সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের সময় দেশে টিকার পর্যাপ্ত মজুত ছিল না।
বর্তমানে ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় সরকার এই সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান। এই সময় তিনি স্থানীয় রূপগঞ্জ ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করারও ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  হাম দমনে বিশেষ টিকাদান শুরু: অতীতের অবহেলাকে দায়ী করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসের পেছনে পারিবারিক সচেতনতার অভাবকে দায়ী করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মব্যস্ততা বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে অনেক মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, যা শিশুদের অপুষ্টি ও রোগাক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ।
কৃত্রিমভাবে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিয়ে এই ঘাটতি পূরণ করা কঠিন উল্লেখ করে তিনি মায়েদের আরও যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের মতে, কেবল ওষুধ দিয়ে শিশুদের সুস্থ রাখা সম্ভব নয়, যদি না প্রাথমিক পুষ্টি ও সুরক্ষায় সচেতনতা বজায় থাকে।

উল্লেখ্য, আজ থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী চার সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতীত সরকারের ব্যর্থতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

 

অতীতের সরকারগুলোর চরম ব্যর্থতা ও অনিয়মের কারণে সারাদেশে হাম নিয়ে একটি ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে জিন্দাপার্কে দেশব্যাপী হাম ও রুবেলার তৃতীয় দফার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্ববর্তী অগণতান্ত্রিক সরকারগুলো যথাযথভাবে টিকা কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারেনি এবং সর্বশেষ ২০২০ সালে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার পর দীর্ঘ বিরতির কারণেই বর্তমানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়মিত টিকা কার্যক্রম না চলায় শিশুদের একটি বড় অংশ জীবনঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় তহবিলের সংকট ছিল এবং সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের সময় দেশে টিকার পর্যাপ্ত মজুত ছিল না।
বর্তমানে ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় সরকার এই সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান। এই সময় তিনি স্থানীয় রূপগঞ্জ ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করারও ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে টিকা কমিটির সব সদস্যকে বরখাস্ত করলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসের পেছনে পারিবারিক সচেতনতার অভাবকে দায়ী করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মব্যস্ততা বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে অনেক মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, যা শিশুদের অপুষ্টি ও রোগাক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ।
কৃত্রিমভাবে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিয়ে এই ঘাটতি পূরণ করা কঠিন উল্লেখ করে তিনি মায়েদের আরও যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের মতে, কেবল ওষুধ দিয়ে শিশুদের সুস্থ রাখা সম্ভব নয়, যদি না প্রাথমিক পুষ্টি ও সুরক্ষায় সচেতনতা বজায় থাকে।

উল্লেখ্য, আজ থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী চার সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।