ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
র‌্যাব এর নতুন নাম এসআরবি প্রস্তাব হাইকোর্টের জামিন পেলেন মমতাজ বেগম মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল অর্থের বিনিময়ে মধ্যপ্রাচ্যের ‘অভিভাবক’ হতে চান ট্রাম্প দিল্লিতে উপদেষ্টাকে আটকে দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘দেশ মাদকমুক্ত না হলে বাজেট উপকারে আসবে না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গণমাধ্যমকে সর্বদা নিখুঁত ও নিরপেক্ষ থাকতে হবে: তথ্যমন্ত্রী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক শর্তসাপেক্ষে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ বিশ্বকাপে আর্জেন্টাইন সমর্থকের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চায় সরকার

অতীত সরকারের ব্যর্থতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 82

ছবি সংগৃহীত

 

অতীতের সরকারগুলোর চরম ব্যর্থতা ও অনিয়মের কারণে সারাদেশে হাম নিয়ে একটি ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে জিন্দাপার্কে দেশব্যাপী হাম ও রুবেলার তৃতীয় দফার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্ববর্তী অগণতান্ত্রিক সরকারগুলো যথাযথভাবে টিকা কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারেনি এবং সর্বশেষ ২০২০ সালে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার পর দীর্ঘ বিরতির কারণেই বর্তমানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়মিত টিকা কার্যক্রম না চলায় শিশুদের একটি বড় অংশ জীবনঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় তহবিলের সংকট ছিল এবং সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের সময় দেশে টিকার পর্যাপ্ত মজুত ছিল না।
বর্তমানে ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় সরকার এই সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান। এই সময় তিনি স্থানীয় রূপগঞ্জ ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করারও ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসের পেছনে পারিবারিক সচেতনতার অভাবকে দায়ী করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মব্যস্ততা বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে অনেক মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, যা শিশুদের অপুষ্টি ও রোগাক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ।
কৃত্রিমভাবে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিয়ে এই ঘাটতি পূরণ করা কঠিন উল্লেখ করে তিনি মায়েদের আরও যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের মতে, কেবল ওষুধ দিয়ে শিশুদের সুস্থ রাখা সম্ভব নয়, যদি না প্রাথমিক পুষ্টি ও সুরক্ষায় সচেতনতা বজায় থাকে।

উল্লেখ্য, আজ থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী চার সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতীত সরকারের ব্যর্থতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

 

অতীতের সরকারগুলোর চরম ব্যর্থতা ও অনিয়মের কারণে সারাদেশে হাম নিয়ে একটি ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে জিন্দাপার্কে দেশব্যাপী হাম ও রুবেলার তৃতীয় দফার টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্ববর্তী অগণতান্ত্রিক সরকারগুলো যথাযথভাবে টিকা কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারেনি এবং সর্বশেষ ২০২০ সালে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার পর দীর্ঘ বিরতির কারণেই বর্তমানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়মিত টিকা কার্যক্রম না চলায় শিশুদের একটি বড় অংশ জীবনঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় তহবিলের সংকট ছিল এবং সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের সময় দেশে টিকার পর্যাপ্ত মজুত ছিল না।
বর্তমানে ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় সরকার এই সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান। এই সময় তিনি স্থানীয় রূপগঞ্জ ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করারও ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন  সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসের পেছনে পারিবারিক সচেতনতার অভাবকে দায়ী করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মব্যস্ততা বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে অনেক মা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, যা শিশুদের অপুষ্টি ও রোগাক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ।
কৃত্রিমভাবে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিয়ে এই ঘাটতি পূরণ করা কঠিন উল্লেখ করে তিনি মায়েদের আরও যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের মতে, কেবল ওষুধ দিয়ে শিশুদের সুস্থ রাখা সম্ভব নয়, যদি না প্রাথমিক পুষ্টি ও সুরক্ষায় সচেতনতা বজায় থাকে।

উল্লেখ্য, আজ থেকে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি আগামী চার সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত)। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, যেখানে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।