ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
তথ্যমন্ত্রীর সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সংবাদমাধ্যমে সংযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং প্রত্যাহার করলেন প্রধানমন্ত্রী মিম শেয়ার করে নেটিজেনদের তোপের মুখে প্রকাশ রাজ পঞ্চগড়ে চা পাতা তোলার সময় বজ্রপাত; এক শ্রমিকের মৃত্যু টি-টোয়েন্টিতে ফিরছে বাংলাদেশ; চট্টগ্রামে কাল প্রথম ম্যাচ লোডশেডিংয়ে মাথা গরম? শান্ত থাকার সহজ কৌশল ‘কোনো কিছুই আমাকে থামাতে পারবে না’: ওয়াশিংটনে হামলার পর ট্রাম্পের হুংকার কামরাঙ্গীরচরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুন এইএচএসসি পাস করার সাথে সাথে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: একই হোটেলে মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্টের ওপর আগেও হামলা হয়েছিল

লোডশেডিংয়ে মাথা গরম? শান্ত থাকার সহজ কৌশল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

 

ভ্যাপসা গরম আর হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়া—বর্তমান সময়ে লোডশেডিং যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অপ্রিয় বাস্তবতা। শুধু অন্ধকার নয়, লোডশেডিং আমাদের স্বাভাবিক কাজের ছন্দ ও মানসিক স্থিতিশীলতাও নষ্ট করে দেয়। অনলাইন নির্ভরতা আর অসহ্য গরমে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিরক্তি ও রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক হলেও, কিছু কৌশল মেনে চললে এই সময়টাতেও নিজেকে শান্ত রাখা সম্ভব।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, লোডশেডিং আমাদের কাজের অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দেয়। হঠাৎ কাজ থেমে যাওয়া বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কে স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। ফলে মানুষ দ্রুত উত্তেজিত ও খিটখিটে হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন  টানা ২ দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যে এলাকায়

বিদ্যুৎ চলে গেলে পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও নিজের প্রতিক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞদের মতে নিচের পদ্ধতিগুলো বেশ কার্যকর:
শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম: রাগের মুহূর্তে ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়া (৪ সেকেন্ড শ্বাস নিয়ে ৪ সেকেন্ড ধরে রাখা এবং ৬ সেকেন্ডে ছাড়া) শরীর ও মনকে দ্রুত শান্ত করে।
শরীর ঠান্ডা রাখা: অনেক সময় গরমের অস্বস্তি থেকে রাগ বাড়ে। তাই হাত-মুখ ধুয়ে নেওয়া বা হালকা বাতাস আছে এমন জায়গায় অবস্থান করলে স্বস্তি পাওয়া যায়।
বিকল্প পরিকল্পনা: লোডশেডিংয়ের সময় ফোনের স্ক্রিনে বিরক্তি না বাড়িয়ে চার্জ লাইট, পাওয়ার ব্যাংক বা অফলাইন কাজের প্রস্তুতি আগে থেকে রাখলে মানসিক চাপ কমে।
পারিবারিক সময়: বিদ্যুৎহীন সময়টাকে পরিবারের সঙ্গে গল্প করা, মোমবাতির আলোয় বই পড়া বা ডায়েরি লেখার কাজে লাগানো যেতে পারে।

পারভেজ আহমেদ নামের এক তরুণ জানান, লোডশেডিংয়ের সময় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া রোধে তিনি অন্ধকারে একা হাঁটাহাঁটি করেন অথবা গান গেয়ে সময়টাকে উপভোগ করার চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, একা সময় কাটানো মেজাজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ব্যস্ত জীবনের ভিড়ে লোডশেডিংকে একটি ছোট ‘বিরতি’ হিসেবে দেখার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি। নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং পরিস্থিতি মেনে নেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। রাগে ফেটে পড়লে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিটা নিজেরই বেশি হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

লোডশেডিংয়ে মাথা গরম? শান্ত থাকার সহজ কৌশল

আপডেট সময় ০৩:৩৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

 

ভ্যাপসা গরম আর হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়া—বর্তমান সময়ে লোডশেডিং যেন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অপ্রিয় বাস্তবতা। শুধু অন্ধকার নয়, লোডশেডিং আমাদের স্বাভাবিক কাজের ছন্দ ও মানসিক স্থিতিশীলতাও নষ্ট করে দেয়। অনলাইন নির্ভরতা আর অসহ্য গরমে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিরক্তি ও রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক হলেও, কিছু কৌশল মেনে চললে এই সময়টাতেও নিজেকে শান্ত রাখা সম্ভব।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, লোডশেডিং আমাদের কাজের অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দেয়। হঠাৎ কাজ থেমে যাওয়া বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কে স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। ফলে মানুষ দ্রুত উত্তেজিত ও খিটখিটে হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন  সেচ নির্বিঘ্ন করতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের ঘোষণা

বিদ্যুৎ চলে গেলে পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলেও নিজের প্রতিক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞদের মতে নিচের পদ্ধতিগুলো বেশ কার্যকর:
শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম: রাগের মুহূর্তে ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়া (৪ সেকেন্ড শ্বাস নিয়ে ৪ সেকেন্ড ধরে রাখা এবং ৬ সেকেন্ডে ছাড়া) শরীর ও মনকে দ্রুত শান্ত করে।
শরীর ঠান্ডা রাখা: অনেক সময় গরমের অস্বস্তি থেকে রাগ বাড়ে। তাই হাত-মুখ ধুয়ে নেওয়া বা হালকা বাতাস আছে এমন জায়গায় অবস্থান করলে স্বস্তি পাওয়া যায়।
বিকল্প পরিকল্পনা: লোডশেডিংয়ের সময় ফোনের স্ক্রিনে বিরক্তি না বাড়িয়ে চার্জ লাইট, পাওয়ার ব্যাংক বা অফলাইন কাজের প্রস্তুতি আগে থেকে রাখলে মানসিক চাপ কমে।
পারিবারিক সময়: বিদ্যুৎহীন সময়টাকে পরিবারের সঙ্গে গল্প করা, মোমবাতির আলোয় বই পড়া বা ডায়েরি লেখার কাজে লাগানো যেতে পারে।

পারভেজ আহমেদ নামের এক তরুণ জানান, লোডশেডিংয়ের সময় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া রোধে তিনি অন্ধকারে একা হাঁটাহাঁটি করেন অথবা গান গেয়ে সময়টাকে উপভোগ করার চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, একা সময় কাটানো মেজাজ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ব্যস্ত জীবনের ভিড়ে লোডশেডিংকে একটি ছোট ‘বিরতি’ হিসেবে দেখার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি। নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং পরিস্থিতি মেনে নেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। রাগে ফেটে পড়লে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতিটা নিজেরই বেশি হয়।