তথ্যমন্ত্রীর সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সংবাদমাধ্যমে সংযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব
- আপডেট সময় ০৫:৩৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
- / 13
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং দুই দেশের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে তাঁর নিজ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন। বৈঠকে দুই দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠককালে তথ্যমন্ত্রী গত মার্চে তুরস্কে অনুষ্ঠিত স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন সামিটে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি স্মরণ করেন। এমন একটি সময়োপযোগী ও চমৎকার আয়োজনের জন্য তিনি তুরস্ক সরকারকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বর্তমান বিশ্বের ডিজিটাল বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বলেন, সমসাময়িক বিশ্বে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি ও শৃঙ্খলার আওতায় আনা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, একক কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে এই বিশাল ডিজিটাল জগৎ নিয়ন্ত্রণ বা সুশৃঙ্খল করা সম্ভব নয়; বরং এ ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত রামিস সেন তুরস্কের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও রেডিওর সাথে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারের পেশাদার সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবনা কপি মন্ত্রীর নিকট হস্তান্তর করেন। তথ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারি পর্যায়ে দুই দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন।
উল্লেখ্য, তথ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক তুরস্ক সফরের সময় সে দেশের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিকেশন ডিরেক্টরেটের পরিচালক প্রফেসর বুরহানেত্তিন দুরানের সঙ্গে তাঁর একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠকে আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জ্ঞান বিনিময় এবং তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজকের সাক্ষাতে সেই প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।























