ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

সেচ নির্বিঘ্ন করতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 149

ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে চলমান সেচ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। গতকাল বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, যার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। এই ২ হাজার মেগাওয়াটের বিশাল ঘাটতি সামাল দিতে লোডশেডিং অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ বণ্টনের বৈষম্য কমিয়ে আনতেই প্রাথমিকভাবে রাজধানীতে এই লোডশেডিং চালু করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, বর্তমান ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সরবরাহের যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর লোডশেডিং থেকে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ সরাসরি সেচ কাজে ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন  লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখতে বিটিআরসি’র জরুরি বৈঠক আজ

বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান অন্তরায় হিসেবে গ্যাস ও কয়লা সংকটের কথা উল্লেখ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানান, দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ করা যাচ্ছে মাত্র ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়া, একটি আমদানিনির্ভর ও একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় সরবরাহ আরও কমেছে।

বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনে ফিরলে আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সেচ নির্বিঘ্ন করতে ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের ঘোষণা

আপডেট সময় ০৭:১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সারাদেশে চলমান সেচ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাজধানী ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। গতকাল বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল প্রায় ১৬ হাজার মেগাওয়াট, যার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ১২৬ মেগাওয়াট। এই ২ হাজার মেগাওয়াটের বিশাল ঘাটতি সামাল দিতে লোডশেডিং অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। শহর ও গ্রামের মধ্যে বিদ্যুৎ বণ্টনের বৈষম্য কমিয়ে আনতেই প্রাথমিকভাবে রাজধানীতে এই লোডশেডিং চালু করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, বর্তমান ফসল কাটার মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ডিজেল সরবরাহের যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়ন করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর লোডশেডিং থেকে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ সরাসরি সেচ কাজে ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন  লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখতে বিটিআরসি’র জরুরি বৈঠক আজ

বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান অন্তরায় হিসেবে গ্যাস ও কয়লা সংকটের কথা উল্লেখ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি জানান, দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ করা যাচ্ছে মাত্র ২ হাজার ৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়া, একটি আমদানিনির্ভর ও একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় সরবরাহ আরও কমেছে।

বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনে ফিরলে আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।