ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ: ৭ দিন ধরে হদিস নেই লিমন ও বৃষ্টির

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 17

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির পিএইচডি কোর্সের দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির সাত দিন ধরে কোনো সন্ধান মিলছে না।

গত ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে তারা রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের হদিস না পাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে সাধারণ মানুষের সহায়তা চেয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্লোরিডা স্টেট ও ফেডারেল প্রশাসনের নিখোঁজ ব্যক্তিদের ডেটাবেজে ২৭ বছর বয়সী এই দুই শিক্ষার্থীর নাম ও ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা ল্যারি ম্যাককিনন জানিয়েছেন, ১৭ এপ্রিল বিকেলে পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে ২৪ ঘণ্টা ধরে পরিবারের সদস্যরা তাদের ফোনে পাচ্ছিলেন না। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার পেছনে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আলামত পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। তারা স্বেচ্ছায় বা ইচ্ছাকৃতভাবে গা ঢাকা দিয়েছেন বলেও পুলিশ মনে করছে না।

আরও পড়ুন  অধিকার আদায়ে নোয়াখালী এটিআই শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন, আট দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) সূত্রে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, লিমন ও বৃষ্টিকে বহিষ্কার বা গ্রেপ্তারের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। নিখোঁজ লিমন জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এবং বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছেন। ১৬ এপ্রিল সকালে লিম্পাকে টেম্পা সিটির বাসায় এবং বৃষ্টিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। লিমনের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর উচ্চশিক্ষা শেষে তাদের বিয়ে করার পরিকল্পনা ছিল।

দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোও গুরুত্বের সাথে এই খবর প্রচার করছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে নির্ধারিত টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ায় তাদের সহপাঠী ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ক্রমেই বাড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ: ৭ দিন ধরে হদিস নেই লিমন ও বৃষ্টির

আপডেট সময় ০৬:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির পিএইচডি কোর্সের দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির সাত দিন ধরে কোনো সন্ধান মিলছে না।

গত ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে তারা রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের হদিস না পাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে সাধারণ মানুষের সহায়তা চেয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্লোরিডা স্টেট ও ফেডারেল প্রশাসনের নিখোঁজ ব্যক্তিদের ডেটাবেজে ২৭ বছর বয়সী এই দুই শিক্ষার্থীর নাম ও ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা ল্যারি ম্যাককিনন জানিয়েছেন, ১৭ এপ্রিল বিকেলে পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে ২৪ ঘণ্টা ধরে পরিবারের সদস্যরা তাদের ফোনে পাচ্ছিলেন না। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার পেছনে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আলামত পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। তারা স্বেচ্ছায় বা ইচ্ছাকৃতভাবে গা ঢাকা দিয়েছেন বলেও পুলিশ মনে করছে না।

আরও পড়ুন  ঢাবির ফজলুল হক হলে যুবক হত্যাকাণ্ড: ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) সূত্রে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, লিমন ও বৃষ্টিকে বহিষ্কার বা গ্রেপ্তারের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। নিখোঁজ লিমন জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এবং বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছেন। ১৬ এপ্রিল সকালে লিম্পাকে টেম্পা সিটির বাসায় এবং বৃষ্টিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল। লিমনের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর উচ্চশিক্ষা শেষে তাদের বিয়ে করার পরিকল্পনা ছিল।

দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোও গুরুত্বের সাথে এই খবর প্রচার করছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে নির্ধারিত টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ায় তাদের সহপাঠী ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা ক্রমেই বাড়ছে।