ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

ইরান যুদ্ধ ‘শেষের খুবই কাছাকাছি’, তবে কাজ এখনো বাকি: ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 138

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সরাসরি যুদ্ধ এখন সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা এখন ‘তীব্রভাবে’ একটি সমঝোতা চুক্তিতে আসতে চাইছে।

তবে যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন বাহিনী ইরানে এখনো তাদের কাজ পুরোপুরি শেষ করেনি এবং প্রয়োজনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন  ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ হচ্ছে বললেন ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাক্ষাৎকারে ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই দেশটিতে চলমান অভিযান বন্ধ করে দেয়, তাহলেও ইরানের পুনর্গঠন হতে অন্তত ২০ বছর সময় লাগবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের ফলে ইরান বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে তার আগের প্রভাব হারিয়েছে। বর্তমান যুদ্ধাবস্থাকে স্থায়ী শান্তিতে রূপান্তর করতে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা এক ম্যারাথন বৈঠকে বসলেও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। তবে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠক শুরু হতে পারে, যেখানে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে সুরাহা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংসের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে এই বিরতির মধ্যেই গত সোমবার থেকে ইরান অভিমুখী সকল বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে চিরতরে সরিয়ে আনতে এবং হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করতেই এই কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদে আসন্ন দ্বিতীয় দফার বৈঠকই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্য কি স্থায়ী শান্তির দিকে যাবে নাকি নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান যুদ্ধ ‘শেষের খুবই কাছাকাছি’, তবে কাজ এখনো বাকি: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১২:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সরাসরি যুদ্ধ এখন সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা এখন ‘তীব্রভাবে’ একটি সমঝোতা চুক্তিতে আসতে চাইছে।

তবে যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত দিলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন বাহিনী ইরানে এখনো তাদের কাজ পুরোপুরি শেষ করেনি এবং প্রয়োজনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত: বাইডেন আমলের সব নির্বাহী আদেশ বাতিল

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাক্ষাৎকারে ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই দেশটিতে চলমান অভিযান বন্ধ করে দেয়, তাহলেও ইরানের পুনর্গঠন হতে অন্তত ২০ বছর সময় লাগবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের ফলে ইরান বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে তার আগের প্রভাব হারিয়েছে। বর্তমান যুদ্ধাবস্থাকে স্থায়ী শান্তিতে রূপান্তর করতে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা এক ম্যারাথন বৈঠকে বসলেও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। তবে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠক শুরু হতে পারে, যেখানে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে সুরাহা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংসের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে এই বিরতির মধ্যেই গত সোমবার থেকে ইরান অভিমুখী সকল বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে চিরতরে সরিয়ে আনতে এবং হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করতেই এই কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদে আসন্ন দ্বিতীয় দফার বৈঠকই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্য কি স্থায়ী শান্তির দিকে যাবে নাকি নতুন করে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হবে।