ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নদী-খাল দখল রোধে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 135

ছবি: সংগৃহীত

বিগত সময়ের মতো কেউ যেন আর নদী, খাল ও জলাশয় দখল বা ভরাট করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দখলদারিত্ব ঠেকাতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। সরকারি এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নদী-নালা ও প্রাকৃতিক জলাশয়গুলোকে দখলমুক্ত করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরও জানানো হয়:
জনসম্পৃক্ততা: চলমান খাল খনন কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে কেউ পুনরায় দখলের সাহস না পায়।
কঠোর নিয়ন্ত্রণ: অবৈধ দখল ও ভরাট শক্ত হাতে দমনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  তাঁত শিল্প নিয়ে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন তারেক রহমান

খাদ্য নিরাপত্তা: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির অনুপ্রেরণায় বর্তমান সরকারও এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং আধুনিক ও উন্নত কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে জলাশয় রক্ষা করাকে অপরিহার্য বলে মনে করছেন। যথাযথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই নির্দেশনার সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নদী-খাল দখল রোধে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

বিগত সময়ের মতো কেউ যেন আর নদী, খাল ও জলাশয় দখল বা ভরাট করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দখলদারিত্ব ঠেকাতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। সরকারি এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নদী-নালা ও প্রাকৃতিক জলাশয়গুলোকে দখলমুক্ত করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরও জানানো হয়:
জনসম্পৃক্ততা: চলমান খাল খনন কর্মসূচিতে স্থানীয় জনগণকে সরাসরি সম্পৃক্ত করে কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে কেউ পুনরায় দখলের সাহস না পায়।
কঠোর নিয়ন্ত্রণ: অবৈধ দখল ও ভরাট শক্ত হাতে দমনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস।

খাদ্য নিরাপত্তা: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির অনুপ্রেরণায় বর্তমান সরকারও এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছেন এবং আধুনিক ও উন্নত কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে জলাশয় রক্ষা করাকে অপরিহার্য বলে মনে করছেন। যথাযথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই নির্দেশনার সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।