ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের পাল্টা ৫ শর্ত প্রদান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / 121

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইরান তাদের নিজস্ব পাঁচটি শর্তের ভিত্তিতে সংঘাত থামানোর ঘোষণা দিয়েছে। তেহরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, গত এক বছরে আলোচনার নামে ওয়াশিংটন দুইবার প্রতারণা করেছে এবং আলোচনার মাঝপথেই ইরানি নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তারা বর্তমান মার্কিন প্রস্তাবকে পক্ষপাতদুষ্ট ও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে।

ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ওপর কোনো শর্ত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, বরং তাদের নির্ধারিত শর্তগুলো পূরণ হলেই কেবল তারা যুদ্ধের ইতি টানবে।

ইরানের পাল্টা শর্তগুলোর মধ্যে প্রধান হলো ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ বন্ধ করা, ভবিষ্যতে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবিও জানিয়েছে দেশটি।
এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা ইরান গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন  দুই বছর পর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর, ধ্বংসস্তূপে ফিরছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে চরম চাপে ফেলেছে। হোয়াইট হাউস তেহরানকে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিলেও ইরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। গত চার সপ্তাহের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ইরানে দেড় হাজারেরও বেশি বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং উভয় পক্ষের সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরানের শর্তগুলো মেনে না নিলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের পাল্টা ৫ শর্ত প্রদান

আপডেট সময় ১০:৩২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইরান তাদের নিজস্ব পাঁচটি শর্তের ভিত্তিতে সংঘাত থামানোর ঘোষণা দিয়েছে। তেহরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, গত এক বছরে আলোচনার নামে ওয়াশিংটন দুইবার প্রতারণা করেছে এবং আলোচনার মাঝপথেই ইরানি নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, যার ফলে তারা বর্তমান মার্কিন প্রস্তাবকে পক্ষপাতদুষ্ট ও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে।

ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ওপর কোনো শর্ত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, বরং তাদের নির্ধারিত শর্তগুলো পূরণ হলেই কেবল তারা যুদ্ধের ইতি টানবে।

ইরানের পাল্টা শর্তগুলোর মধ্যে প্রধান হলো ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও হত্যাকাণ্ড সম্পূর্ণ বন্ধ করা, ভবিষ্যতে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্বের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবিও জানিয়েছে দেশটি।
এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা ইরান গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন  দুই বছর পর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর, ধ্বংসস্তূপে ফিরছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে চরম চাপে ফেলেছে। হোয়াইট হাউস তেহরানকে আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিলেও ইরান তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। গত চার সপ্তাহের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ইরানে দেড় হাজারেরও বেশি বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং উভয় পক্ষের সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরানের শর্তগুলো মেনে না নিলে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।