ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • / 132

ছবি সংগৃহীত

১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মানির রাজধানী বন থেকে গোপন ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ মিলিয়ন জার্মান মার্ক ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ বিলিয়ন মার্ক (বর্তমান মূল্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো)।

এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলের “নেগেভ অঞ্চলের উন্নয়ন” সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও, এর একটি বড় অংশ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের গোপন ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রে নতুন স্থাপনা নির্মাণ

এই সমঝোতার সূচনা হয় ১৯৬০ সালে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী David Ben-Gurion এবং পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর Konrad Adenauer-এর বৈঠকের পর।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্ট-পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

যদিও ডিমোনা চুল্লির প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল ফ্রান্স, তবে প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন গোপনে জার্মান সরকারি তহবিল থেকে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইজরায়েলের ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থায়ন করেছিল তৎকালীন পশ্চিম জার্মানি।

আপডেট সময় ০৫:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে জার্মানির রাজধানী বন থেকে গোপন ঋণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ১৪০ থেকে ১৬০ মিলিয়ন জার্মান মার্ক ইসরায়েলে পাঠানো হয়।

এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২ বিলিয়ন মার্ক (বর্তমান মূল্যে প্রায় ৫ বিলিয়ন ইউরো)।

এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ইজরায়েলের “নেগেভ অঞ্চলের উন্নয়ন” সহায়তা হিসেবে দেখানো হলেও, এর একটি বড় অংশ ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের গোপন ডিমোনা পারমাণবিক কেন্দ্রে নতুন স্থাপনা নির্মাণ

এই সমঝোতার সূচনা হয় ১৯৬০ সালে ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী David Ben-Gurion এবং পশ্চিম জার্মানির চ্যান্সেলর Konrad Adenauer-এর বৈঠকের পর।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও হলোকাস্ট-পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।

যদিও ডিমোনা চুল্লির প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছিল ফ্রান্স, তবে প্রকল্পটির উল্লেখযোগ্য অর্থায়ন গোপনে জার্মান সরকারি তহবিল থেকে এসেছে।