ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: প্রেস উইং

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 403

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “এখন পর্যন্ত এসব ঘটনার পেছনে কোনো সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এগুলো মূলত পৃথক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সহিংসতার ফল। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

আরও পড়ুন  হাতিরঝিলে নির্মাণাধীন ভবনে মিলল শিশুর লাশ: কীভাবে ঘটল রহস্যময় মৃত্যু? থানা ঘেরাওয়ের পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ

এর আগে ১০ জুলাই বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও সংখ্যালঘু ঐক্য জোটের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং বিগত ১১ মাসে ২ হাজার ৪৪২টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এ প্রসঙ্গে প্রেস উইং জানায়, নিহত ২৭ জনের ঘটনায় ২২টি হত্যা মামলা এবং ৫টি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এসব খুনের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক লেনদেন, সন্ত্রাসী হামলা, ডাকাতি এবং পারিবারিক কলহ। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ১৫ জন আত্মসমর্পণ করেছেন এবং ১৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ২০টি ঘটনার কথা বলা হলেও, এর মধ্যে ১৬টি ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং ২৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি তিনটি ঘটনায় কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি।

ঐক্য পরিষদের ভাষ্যমতে, ২০২৪ সালের ৪ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে ১ হাজার ৭৬৯টি হামলা ও নিপীড়নসহ মোট ২ হাজার ১০টি সাম্প্রদায়িক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে।

প্রেস উইং জানায়, পুলিশ দেশের ৫৬ জেলায় সংঘটিত এসব ঘটনার মধ্যে ১ হাজার ৪৫৭টি ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। পাশাপাশি ৬০টি ঘটনায় মন্দিরে চুরি, প্রতিমা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, জমি দখল ও উচ্ছেদের চেষ্টা সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ঐক্য পরিষদ ভবিষ্যতে আরও কিছু ঘটনার তথ্য উপস্থাপন করবে। পুলিশের চূড়ান্ত তালিকা পাওয়ার পর তা পুনরায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় আপডেট জানানো হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: প্রেস উইং

আপডেট সময় ১১:২৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “এখন পর্যন্ত এসব ঘটনার পেছনে কোনো সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এগুলো মূলত পৃথক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সহিংসতার ফল। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা: বাংলাদেশে ‘স্বৈরাচারের পাশে নয়, মানবাধিকারের পক্ষে’ থাকবে দৃঢ় সমর্থন

এর আগে ১০ জুলাই বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও সংখ্যালঘু ঐক্য জোটের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ২৭ জন নিহত হয়েছেন এবং বিগত ১১ মাসে ২ হাজার ৪৪২টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এ প্রসঙ্গে প্রেস উইং জানায়, নিহত ২৭ জনের ঘটনায় ২২টি হত্যা মামলা এবং ৫টি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এসব খুনের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক লেনদেন, সন্ত্রাসী হামলা, ডাকাতি এবং পারিবারিক কলহ। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ১৫ জন আত্মসমর্পণ করেছেন এবং ১৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ২০টি ঘটনার কথা বলা হলেও, এর মধ্যে ১৬টি ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং ২৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি তিনটি ঘটনায় কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি।

ঐক্য পরিষদের ভাষ্যমতে, ২০২৪ সালের ৪ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ে ১ হাজার ৭৬৯টি হামলা ও নিপীড়নসহ মোট ২ হাজার ১০টি সাম্প্রদায়িক ঘটনার অভিযোগ উঠেছে।

প্রেস উইং জানায়, পুলিশ দেশের ৫৬ জেলায় সংঘটিত এসব ঘটনার মধ্যে ১ হাজার ৪৫৭টি ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। পাশাপাশি ৬০টি ঘটনায় মন্দিরে চুরি, প্রতিমা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, জমি দখল ও উচ্ছেদের চেষ্টা সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ঐক্য পরিষদ ভবিষ্যতে আরও কিছু ঘটনার তথ্য উপস্থাপন করবে। পুলিশের চূড়ান্ত তালিকা পাওয়ার পর তা পুনরায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় আপডেট জানানো হবে।