ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

চলতি সপ্তাহের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায় কমিশন: আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 539

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়ের মধ্যেই কমিশন বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায়।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সংশোধনী প্রস্তাব আনছে ঐকমত্য কমিশন: আলী রীয়াজ

রোববার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার ১২তম দিনে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনার শুরুতেই ড. রীয়াজ জানান, কমিশন দ্রুততার সঙ্গে একটি জাতীয় সনদের খসড়া প্রণয়নের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা চাই আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যেই একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। তবে প্রয়োজনে এটি ৩১ জুলাই পর্যন্ত গড়াতে পারে।”

ড. আলী রীয়াজ জানান, সপ্তাহজুড়ে তিন দিনের আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। আজকের আলোচনার সূচিতে রাখা হয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব এবং জরুরি অবস্থা জারির বিধান।

তিনি বলেন, “এই তিনটি বিষয় দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে যেতে চাই, যাতে করে একটি সর্বসম্মত মতামত গঠনের দিকে পৌঁছানো যায়।”

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ও মতপার্থক্য থাকলেও একটি সমঝোতার জায়গায় পৌঁছাতে তারা আশাবাদী। আলোচনার পরিবেশকে ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ বলেও মন্তব্য করেছেন উপস্থিত অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই আলোচনা সঠিক পথে এগোয় এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ প্রণয়ন সম্ভব হয়, তবে তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য এক নতুন দিক উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে একটি ব্যাপক ভিত্তিক জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন একটি উদ্যোগ দেশের স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

চলতি সপ্তাহের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায় কমিশন: আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০১:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়ের মধ্যেই কমিশন বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায়।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে সংশোধনী প্রস্তাব আনছে ঐকমত্য কমিশন: আলী রীয়াজ

রোববার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার ১২তম দিনে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনার শুরুতেই ড. রীয়াজ জানান, কমিশন দ্রুততার সঙ্গে একটি জাতীয় সনদের খসড়া প্রণয়নের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা চাই আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যেই একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। তবে প্রয়োজনে এটি ৩১ জুলাই পর্যন্ত গড়াতে পারে।”

ড. আলী রীয়াজ জানান, সপ্তাহজুড়ে তিন দিনের আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। আজকের আলোচনার সূচিতে রাখা হয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব এবং জরুরি অবস্থা জারির বিধান।

তিনি বলেন, “এই তিনটি বিষয় দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে যেতে চাই, যাতে করে একটি সর্বসম্মত মতামত গঠনের দিকে পৌঁছানো যায়।”

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ও মতপার্থক্য থাকলেও একটি সমঝোতার জায়গায় পৌঁছাতে তারা আশাবাদী। আলোচনার পরিবেশকে ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ বলেও মন্তব্য করেছেন উপস্থিত অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই আলোচনা সঠিক পথে এগোয় এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ প্রণয়ন সম্ভব হয়, তবে তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য এক নতুন দিক উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে একটি ব্যাপক ভিত্তিক জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন একটি উদ্যোগ দেশের স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।