ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

চলতি সপ্তাহের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায় কমিশন: আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 261

ছবি সংগৃহীত

 

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়ের মধ্যেই কমিশন বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায়।

আরও পড়ুন  কমিশনের বৈঠক বিএনপির না

রোববার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার ১২তম দিনে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনার শুরুতেই ড. রীয়াজ জানান, কমিশন দ্রুততার সঙ্গে একটি জাতীয় সনদের খসড়া প্রণয়নের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা চাই আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যেই একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। তবে প্রয়োজনে এটি ৩১ জুলাই পর্যন্ত গড়াতে পারে।”

ড. আলী রীয়াজ জানান, সপ্তাহজুড়ে তিন দিনের আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। আজকের আলোচনার সূচিতে রাখা হয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব এবং জরুরি অবস্থা জারির বিধান।

তিনি বলেন, “এই তিনটি বিষয় দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে যেতে চাই, যাতে করে একটি সর্বসম্মত মতামত গঠনের দিকে পৌঁছানো যায়।”

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ও মতপার্থক্য থাকলেও একটি সমঝোতার জায়গায় পৌঁছাতে তারা আশাবাদী। আলোচনার পরিবেশকে ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ বলেও মন্তব্য করেছেন উপস্থিত অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই আলোচনা সঠিক পথে এগোয় এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ প্রণয়ন সম্ভব হয়, তবে তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য এক নতুন দিক উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে একটি ব্যাপক ভিত্তিক জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন একটি উদ্যোগ দেশের স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

চলতি সপ্তাহের আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায় কমিশন: আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০১:৪০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়ের মধ্যেই কমিশন বড় ধরনের অগ্রগতি আনতে চায়।

আরও পড়ুন  জুলাই মাসের মধ্যে ‘জাতীয় সনদ’ তৈরি করতে পারবো: আলী রীয়াজ

রোববার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার ১২তম দিনে সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আলোচনার শুরুতেই ড. রীয়াজ জানান, কমিশন দ্রুততার সঙ্গে একটি জাতীয় সনদের খসড়া প্রণয়নের দিকে এগিয়ে যেতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা চাই আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যেই একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে। তবে প্রয়োজনে এটি ৩১ জুলাই পর্যন্ত গড়াতে পারে।”

ড. আলী রীয়াজ জানান, সপ্তাহজুড়ে তিন দিনের আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। আজকের আলোচনার সূচিতে রাখা হয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব এবং জরুরি অবস্থা জারির বিধান।

তিনি বলেন, “এই তিনটি বিষয় দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে আমরা এগিয়ে যেতে চাই, যাতে করে একটি সর্বসম্মত মতামত গঠনের দিকে পৌঁছানো যায়।”

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ও মতপার্থক্য থাকলেও একটি সমঝোতার জায়গায় পৌঁছাতে তারা আশাবাদী। আলোচনার পরিবেশকে ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ বলেও মন্তব্য করেছেন উপস্থিত অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই আলোচনা সঠিক পথে এগোয় এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ প্রণয়ন সম্ভব হয়, তবে তা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য এক নতুন দিক উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে একটি ব্যাপক ভিত্তিক জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন একটি উদ্যোগ দেশের স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের পথ প্রশস্ত করবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।