ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক ভিসি হাসিবুরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 506

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনের প্রতীক শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক হাসিবুর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার সকালে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় ট্রাইব্যুনালে। এই অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টরসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

গত ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা এই মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়। একইসঙ্গে শহিদ আবু সাঈদকে হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার চার আসামি ইতিমধ্যেই কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের পার্ক মোড়ে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন ছাত্রনেতা আবু সাঈদ। হত্যাকাণ্ডের পরপরই সারাদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যা জুলাই আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়।

এ নিয়ে নিহতের পরিবারসহ আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিচার দাবি করে আসছিলেন। ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসিকিউশনের আইনজীবীরা জানান, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে শিগগিরই শুনানি শুরু হবে এবং মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন নিহত শহিদের পরিবার ও সহযোদ্ধারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: সাবেক ভিসি হাসিবুরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আপডেট সময় ০২:৫২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

 

জুলাই আন্দোলনের প্রতীক শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক হাসিবুর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার সকালে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় ট্রাইব্যুনালে। এই অভিযোগে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টরসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহিদ আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৎকালীন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনারসহ ৩০ জনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  পারভেজ হত্যা মামলায় দুই তরুণীর একজনের গ্রেফতারি

গত ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা এই মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা দেয়। একইসঙ্গে শহিদ আবু সাঈদকে হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলার চার আসামি ইতিমধ্যেই কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের পার্ক মোড়ে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন ছাত্রনেতা আবু সাঈদ। হত্যাকাণ্ডের পরপরই সারাদেশে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, যা জুলাই আন্দোলন নামে পরিচিতি পায়।

এ নিয়ে নিহতের পরিবারসহ আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিচার দাবি করে আসছিলেন। ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রসিকিউশনের আইনজীবীরা জানান, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে শিগগিরই শুনানি শুরু হবে এবং মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন নিহত শহিদের পরিবার ও সহযোদ্ধারা।