ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

গণভবনে হবে গুম-নির্যাতনের ‘হরর মিউজিয়াম’: প্রেসসচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 478

ছবি সংগৃহীত

 

র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে গণভবনে নির্মিত হচ্ছে ‘হরর মিউজিয়াম’। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

বুধবার (৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গুম-নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র জনসমক্ষে আনতেই গণভবনে একটি বিশেষ জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।”

আরও পড়ুন  নতুন প্রাণশক্তি যোগাচ্ছেন ড. খলিল, পররাষ্ট্রনীতিতে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ: প্রেসসচিব

তিনি আরও জানান, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) গোয়েন্দা সংস্থা গুম ও হত্যাকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত ছিল বলে গুম কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। “র‍্যাবের গোয়েন্দা ইউনিট এক সময় ভয়ংকর কিলার ও হত্যাকারী দলে পরিণত হয়েছিল। পদোন্নতি ও ভালো পোস্টিংয়ের জন্য অনেক সদস্য এসব ঘটনায় জড়াতো,” বলেন শফিকুল আলম।

প্রেসসচিব বলেন, গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর যন্ত্রণার চিত্রকে মানুষ যেন উপলব্ধি করতে পারে, সে জন্য একটি ‘হরর মিউজিয়াম’ নির্মাণের ভাবনা এসেছে। “অধ্যাপক ইউনূসও এই উদ্যোগকে সমর্থন করে বলেছেন, এমন একটি হরর মিউজিয়াম হওয়া দরকার,” তিনি উল্লেখ করেন।

শফিকুল আলম বলেন, “অনেক পুলিশ সদস্যও পদক ও ভালো পোস্টিংয়ের জন্য গুমে জড়িত ছিলেন। আবার কেউ কেউ এমন কাজে সম্পৃক্ত হতে চাননি। এমনকি কেউ কেউ সরাসরি গণভবনে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন, তারা এসব কাজে যুক্ত হতে চান না।”

তিনি আরও জানান, গুম কমিশনের প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ শুরু হবে। “ধারাবাহিকভাবে গুম ও নির্যাতনের বিষয়গুলো জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে,” বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গণভবনে নির্মিতব্য জাদুঘরে গুম-নির্যাতনের আলামত, কাহিনি, ভিডিও ও ভুক্তভোগী পরিবারের সাক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে। এ উদ্যোগকে মানবাধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গণভবনে হবে গুম-নির্যাতনের ‘হরর মিউজিয়াম’: প্রেসসচিব

আপডেট সময় ০৪:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

 

র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে গণভবনে নির্মিত হচ্ছে ‘হরর মিউজিয়াম’। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

বুধবার (৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গুম-নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র জনসমক্ষে আনতেই গণভবনে একটি বিশেষ জাদুঘর নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।”

আরও পড়ুন  বর্ষবরণে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রসঙ্গে যা বললেন প্রেসসচিব

তিনি আরও জানান, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) গোয়েন্দা সংস্থা গুম ও হত্যাকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি সম্পৃক্ত ছিল বলে গুম কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। “র‍্যাবের গোয়েন্দা ইউনিট এক সময় ভয়ংকর কিলার ও হত্যাকারী দলে পরিণত হয়েছিল। পদোন্নতি ও ভালো পোস্টিংয়ের জন্য অনেক সদস্য এসব ঘটনায় জড়াতো,” বলেন শফিকুল আলম।

প্রেসসচিব বলেন, গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর যন্ত্রণার চিত্রকে মানুষ যেন উপলব্ধি করতে পারে, সে জন্য একটি ‘হরর মিউজিয়াম’ নির্মাণের ভাবনা এসেছে। “অধ্যাপক ইউনূসও এই উদ্যোগকে সমর্থন করে বলেছেন, এমন একটি হরর মিউজিয়াম হওয়া দরকার,” তিনি উল্লেখ করেন।

শফিকুল আলম বলেন, “অনেক পুলিশ সদস্যও পদক ও ভালো পোস্টিংয়ের জন্য গুমে জড়িত ছিলেন। আবার কেউ কেউ এমন কাজে সম্পৃক্ত হতে চাননি। এমনকি কেউ কেউ সরাসরি গণভবনে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন, তারা এসব কাজে যুক্ত হতে চান না।”

তিনি আরও জানান, গুম কমিশনের প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ শুরু হবে। “ধারাবাহিকভাবে গুম ও নির্যাতনের বিষয়গুলো জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে,” বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গণভবনে নির্মিতব্য জাদুঘরে গুম-নির্যাতনের আলামত, কাহিনি, ভিডিও ও ভুক্তভোগী পরিবারের সাক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে। এ উদ্যোগকে মানবাধিকার রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।