ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

শেখ হাসিনাকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ, ৩ জুন সকাল ১০টায় শুনানি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 406

ছবি সংগৃহীত

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জুন, সকাল ১০টায় তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুন  নতুন পথের সন্ধানে ভারত-বাংলাদেশ ব্যাংককে মোদি-ইউনূস বৈঠকে সম্পর্কের উষ্ণতা

এর আগের দিন, রবিবার (২৫ মে), ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনাসহ দুইজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ৫ আগস্ট, পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজধানীর চানখারপুলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালায়। এতে চাইনিজ রাইফেলের গুলিতে শহীদ হন ১০ম শ্রেণির ছাত্র আনাসসহ ছয়জন।

ঘটনার তদন্ত শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। এই অভিযোগের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলো।

শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের নেপথ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, হত্যা ও নিপীড়নের দীর্ঘ ইতিহাস। চানখারপুল হত্যাকাণ্ডের সময় ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান সরাসরি নির্দেশ দেন। মাঠ পর্যায়ে তা বাস্তবায়ন করেন পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীসহ আরও সাতজন কর্মকর্তা।”

প্রসিকিউটর আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, “২২৭ জন মানুষ হত্যার লাইসেন্স পেয়েছি”—এ ধরনের বক্তব্যের কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে ট্রাইব্যুনালে।

ট্রাইব্যুনাল একইসঙ্গে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শেখ হাসিনাসহ অপর অভিযুক্তকে হাজিরের নির্দেশ দেন।

এই মামলার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বিচারের দ্বার খুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ, ৩ জুন সকাল ১০টায় শুনানি

আপডেট সময় ০৮:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩ জুন, সকাল ১০টায় তাকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যার বিচার শুরু রোববার : ঘোষণা আসিফ নজরুলের

এর আগের দিন, রবিবার (২৫ মে), ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানান, শেখ হাসিনাসহ দুইজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, ৫ আগস্ট, পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টা আগে শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজধানীর চানখারপুলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালায়। এতে চাইনিজ রাইফেলের গুলিতে শহীদ হন ১০ম শ্রেণির ছাত্র আনাসসহ ছয়জন।

ঘটনার তদন্ত শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। এই অভিযোগের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হলো।

শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের নেপথ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, হত্যা ও নিপীড়নের দীর্ঘ ইতিহাস। চানখারপুল হত্যাকাণ্ডের সময় ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান সরাসরি নির্দেশ দেন। মাঠ পর্যায়ে তা বাস্তবায়ন করেন পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীসহ আরও সাতজন কর্মকর্তা।”

প্রসিকিউটর আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

শুনানিতে আরও বলা হয়, “২২৭ জন মানুষ হত্যার লাইসেন্স পেয়েছি”—এ ধরনের বক্তব্যের কোনো ব্যাখ্যা না দেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে ট্রাইব্যুনালে।

ট্রাইব্যুনাল একইসঙ্গে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শেখ হাসিনাসহ অপর অভিযুক্তকে হাজিরের নির্দেশ দেন।

এই মামলার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বিচারের দ্বার খুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।