ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

মেয়র পদে ইশরাক হোসেনকে বসানো নিয়ে উত্তপ্ত গুলিস্তান, চলছেই লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 426

ছবি সংগৃহীত

 

 

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তানে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেন, আদালতের রায় ও গেজেট প্রকাশের পরও নানা টালবাহানায় ইশরাক হোসেনকে এখনো মেয়র পদে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন  প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বিক্ষোভের কারণে গুলিস্তান মাজার থেকে বঙ্গবাজারমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় তীব্র যানজট।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক নেতা বলেন, “আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ইশরাক হোসেন বৈধভাবে নির্বাচিত মেয়র। কিন্তু এখনো তাকে শপথ না করিয়ে বেআইনিভাবে দায়িত্ব আটকে রাখা হয়েছে। আমরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকব।”

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে হাজারো মানুষ নগরভবনের সামনে মানববন্ধন করেন। পরে সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়লে তা রূপ নেয় বিক্ষোভে। সেখান থেকেই ঘোষণা আসে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকার দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে প্রায় পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

তবে চলতি বছরের ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বৈধ মেয়র ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশন ২৭ এপ্রিল ইশরাককে মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে।

ইসির গেজেট প্রকাশের পর শপথ গ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন ইশরাক হোসেন। তবে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ না পাওয়ায় এখনও পর্যন্ত শপথের আয়োজন করা হয়নি বলে জানা গেছে।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও শপথে দেরি করার অর্থই হলো জনগণের রায়ের অবমাননা। তাই এই অবস্থান কর্মসূচি চলতেই থাকবে যতদিন না ইশরাক দায়িত্ব পান।

নিউজটি শেয়ার করুন

মেয়র পদে ইশরাক হোসেনকে বসানো নিয়ে উত্তপ্ত গুলিস্তান, চলছেই লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় ০১:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

 

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল থেকে রাজধানীর গুলিস্তানে ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন নেতাকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেন, আদালতের রায় ও গেজেট প্রকাশের পরও নানা টালবাহানায় ইশরাক হোসেনকে এখনো মেয়র পদে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন  চার আসন ফেরাতে বাগেরহাটে আন্দোলন, নির্বাচন অফিস ঘেরাও কর্মসূচি

বিক্ষোভের কারণে গুলিস্তান মাজার থেকে বঙ্গবাজারমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় তীব্র যানজট।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এক নেতা বলেন, “আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ইশরাক হোসেন বৈধভাবে নির্বাচিত মেয়র। কিন্তু এখনো তাকে শপথ না করিয়ে বেআইনিভাবে দায়িত্ব আটকে রাখা হয়েছে। আমরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখানেই থাকব।”

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে হাজারো মানুষ নগরভবনের সামনে মানববন্ধন করেন। পরে সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়লে তা রূপ নেয় বিক্ষোভে। সেখান থেকেই ঘোষণা আসে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকার দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে প্রায় পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

তবে চলতি বছরের ২৭ মার্চ ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে ইশরাক হোসেনকে বৈধ মেয়র ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশন ২৭ এপ্রিল ইশরাককে মেয়র হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে।

ইসির গেজেট প্রকাশের পর শপথ গ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন ইশরাক হোসেন। তবে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ না পাওয়ায় এখনও পর্যন্ত শপথের আয়োজন করা হয়নি বলে জানা গেছে।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও শপথে দেরি করার অর্থই হলো জনগণের রায়ের অবমাননা। তাই এই অবস্থান কর্মসূচি চলতেই থাকবে যতদিন না ইশরাক দায়িত্ব পান।