ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

শস্যভিত্তিক কৃষিজমি রক্ষায় নতুন আইন আসছে: কৃষি উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 403

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের কৃষিজমি রক্ষায় নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “আমরা নতুন আইনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। যাতে করে কৃষিজমি ধ্বংস করে আর কোনো নতুন ইটভাটা গড়ে না ওঠে।”

বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার মোকলেসপুর ইউনিয়নের ঢেলপির ব্লকে বোরো ধান কর্তনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রস্তুত থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “আমরা পরিকল্পনা করছি, আম, লিচু, টমেটোর মতো মৌসুমি ফসল সংরক্ষণের জন্য গ্রামাঞ্চলে মিনি কোল্ডস্টোরেজ স্থাপন করা হবে। যাতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারেন। ইতোমধ্যে আম, লিচু ও কাঁঠাল বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।”

কৃষি উপদেষ্টা জানান, “আমের মতোই লিচু পরিবহনের জন্যও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেলের বগি বরাদ্দ দেওয়া হবে। এতে করে কৃষকরা স্বল্পমূল্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় লিচু পাঠাতে পারবেন।”

তিনি আরও বলেন, “কোনোভাবেই ধানচাষের জমিতে আম-লিচু চাষ করা যাবে না। ধান উৎপাদন বাড়াতে হবে, কারণ সরকার ধান ও চাল ক্রয়ে আগ্রহী। এ বছর যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তার চেয়েও বেশি ধান কীভাবে কেনা যায় সে বিষয়েও ভাবছে সরকার।”

সেচ ব্যবস্থার খরচ কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, “বরেন্দ্র অঞ্চলে বোরো ধানের উৎপাদন টিকিয়ে রাখতে হলে পানির সেচে খরচ আরও কমাতে হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমবে, কৃষক উপকৃত হবেন। পাশাপাশি, ফুড বিভাগের দুর্নীতিও কমাতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. মো. আসাদ উজ জামান, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হুসাইন এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সরকারি পর্যায়ের এ ধরনের কার্যকর উদ্যোগ কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শস্যভিত্তিক কৃষিজমি রক্ষায় নতুন আইন আসছে: কৃষি উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

দেশের কৃষিজমি রক্ষায় নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “আমরা নতুন আইনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। যাতে করে কৃষিজমি ধ্বংস করে আর কোনো নতুন ইটভাটা গড়ে না ওঠে।”

বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার মোকলেসপুর ইউনিয়নের ঢেলপির ব্লকে বোরো ধান কর্তনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

আরও পড়ুন  অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাতা পৌঁছাতে হবে প্রকৃত মানুষের হাতে: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “আমরা পরিকল্পনা করছি, আম, লিচু, টমেটোর মতো মৌসুমি ফসল সংরক্ষণের জন্য গ্রামাঞ্চলে মিনি কোল্ডস্টোরেজ স্থাপন করা হবে। যাতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারেন। ইতোমধ্যে আম, লিচু ও কাঁঠাল বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।”

কৃষি উপদেষ্টা জানান, “আমের মতোই লিচু পরিবহনের জন্যও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেলের বগি বরাদ্দ দেওয়া হবে। এতে করে কৃষকরা স্বল্পমূল্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় লিচু পাঠাতে পারবেন।”

তিনি আরও বলেন, “কোনোভাবেই ধানচাষের জমিতে আম-লিচু চাষ করা যাবে না। ধান উৎপাদন বাড়াতে হবে, কারণ সরকার ধান ও চাল ক্রয়ে আগ্রহী। এ বছর যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তার চেয়েও বেশি ধান কীভাবে কেনা যায় সে বিষয়েও ভাবছে সরকার।”

সেচ ব্যবস্থার খরচ কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, “বরেন্দ্র অঞ্চলে বোরো ধানের উৎপাদন টিকিয়ে রাখতে হলে পানির সেচে খরচ আরও কমাতে হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমবে, কৃষক উপকৃত হবেন। পাশাপাশি, ফুড বিভাগের দুর্নীতিও কমাতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. মো. আসাদ উজ জামান, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হুসাইন এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সরকারি পর্যায়ের এ ধরনের কার্যকর উদ্যোগ কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।