ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রস্তুত থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 466

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রোববার (১৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  এখন সবাই সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করুন, আন্দোলন যা হওয়ার হয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন (ইসি) যখন জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে, তখন সেই সময় অনুযায়ী দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।”

ভারত থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের পুশব্যাকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “যদি প্রমাণিত হয় যে তারা বাংলাদেশের নাগরিক, তাহলে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত পাঠাতে হবে। এ বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকলে এবং তারা বাংলাদেশের নাগরিক হলে, আমরা অবশ্যই তাদের গ্রহণ করব।”

ব্রিফিংয়ে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাবের পোশাক পরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, “এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত জোরদার করেছি এবং খুব দ্রুতই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ও পোশাক ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে সেটি শুধু বেআইনি নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। তাই এ ধরনের অপরাধকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোকাবিলা করছি।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বৈঠকে অংশ নেওয়া বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রশংসা করে বলেন, “দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। সকল সংস্থা একসাথে কাজ করলে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।”

উল্লেখ্য, নির্বাচন সামনে রেখে দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর প্রস্তুতি, পুশব্যাক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক অপরাধ দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রস্তুত থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:২৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 

জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বাহিনী প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রোববার (১৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দ্রুত নির্বাচন চায় বিএনপি: প্রেসক্লাবে মির্জা ফখরুল

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন (ইসি) যখন জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে, তখন সেই সময় অনুযায়ী দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।”

ভারত থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের পুশব্যাকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “যদি প্রমাণিত হয় যে তারা বাংলাদেশের নাগরিক, তাহলে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত পাঠাতে হবে। এ বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ থাকলে এবং তারা বাংলাদেশের নাগরিক হলে, আমরা অবশ্যই তাদের গ্রহণ করব।”

ব্রিফিংয়ে রাজধানীর উত্তরায় র‌্যাবের পোশাক পরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, “এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত জোরদার করেছি এবং খুব দ্রুতই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ও পোশাক ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে সেটি শুধু বেআইনি নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। তাই এ ধরনের অপরাধকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মোকাবিলা করছি।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বৈঠকে অংশ নেওয়া বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রশংসা করে বলেন, “দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। সকল সংস্থা একসাথে কাজ করলে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।”

উল্লেখ্য, নির্বাচন সামনে রেখে দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর প্রস্তুতি, পুশব্যাক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক অপরাধ দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়।