ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা পাশে থাকবে চীন: চীনা রাষ্ট্রদূত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 415

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ নিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংকটময় মুহূর্তে চীন সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকবে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

আরও পড়ুন  দেশের ১০ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত

তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষকে সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমন করতে হবে। শান্ত পরিবেশ বজায় রাখাই এখন সময়ের দাবি।” ইয়াও ওয়েন জানান, চীন সবসময়ই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভারসাম্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, চলতি মাসের শেষ দিকে চীনের বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে শতাধিক বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীর একটি বৃহৎ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবেন। তাঁর ভাষায়, “বাংলাদেশে অতীতে এত বড় বাণিজ্য প্রতিনিধি দল কখনও আসেনি।” তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, “অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। কোনো দেশেই উন্নয়ন সম্ভব নয় স্থিতিশীলতা ছাড়া।” বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংস্কার সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে আমাদের প্রকাশ্য মন্তব্যের প্রবণতা নেই, যেমনটা পশ্চিমা বিশ্বে দেখা যায়।”

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, চীন বাংলাদেশকে কেবল কৌশলগত অংশীদার হিসেবেই নয়, ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখে। তিনি জানান, আগামীতেও এ বন্ধন আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীন কাজ করে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছরের পথচলার নানা দিক তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা পাশে থাকবে চীন: চীনা রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় ০৩:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ নিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংকটময় মুহূর্তে চীন সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকবে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

আরও পড়ুন  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে এক বাংলাদেশি কৃষক আহত

তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে উভয় পক্ষকে সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমন করতে হবে। শান্ত পরিবেশ বজায় রাখাই এখন সময়ের দাবি।” ইয়াও ওয়েন জানান, চীন সবসময়ই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভারসাম্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, চলতি মাসের শেষ দিকে চীনের বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে শতাধিক বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীর একটি বৃহৎ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবেন। তাঁর ভাষায়, “বাংলাদেশে অতীতে এত বড় বাণিজ্য প্রতিনিধি দল কখনও আসেনি।” তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, “অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। কোনো দেশেই উন্নয়ন সম্ভব নয় স্থিতিশীলতা ছাড়া।” বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সংস্কার সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে আমাদের প্রকাশ্য মন্তব্যের প্রবণতা নেই, যেমনটা পশ্চিমা বিশ্বে দেখা যায়।”

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, চীন বাংলাদেশকে কেবল কৌশলগত অংশীদার হিসেবেই নয়, ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখে। তিনি জানান, আগামীতেও এ বন্ধন আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীন কাজ করে যাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছরের পথচলার নানা দিক তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।