ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

কার্নিকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, শিগগিরই বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 197

ছবি সংগৃহীত

 

কানাডার সাধারণ নির্বাচনে লিবারেল পার্টির বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন মার্ক কার্নি। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে ফোন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রথম ফোনালাপে দু’দেশের নেতারা শিগগিরই এক বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত হন।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, কার্নির লিবারেল পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ১৬৯টি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথে রয়েছে। কানাডার পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৭২টি আসন। ফলে নতুন সরকারকে এখন অন্যান্য দলের সমর্থন সুনিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন  কানাডা: বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড ও উন্নত জীবনের দেশ

কার্নির জন্য এই নির্বাচন দুই দিক থেকে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে তাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সম্পর্কের জটিল ইস্যুগুলোতে দর–কষাকষি করতে হবে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোও সমাধান করতে হবে। বিশেষ করে বাণিজ্য শুল্ক এবং কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য এবারের নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

লিবারেল পার্টিকে সংসদে আইন পাস করাতে হলে অন্যান্য দলের সহযোগিতা নিতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এনডিপি) ও ব্লক কেবেকোয়া থেকে সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। অতীতেও এনডিপি লিবারেলদের সরকারে সহায়তা করেছে।

তবে এবার নির্বাচনে এনডিপি বড় ধাক্কা খেয়েছে। তাদের ভোট ১২ শতাংশ কমেছে। দলটির নেতা জগমিত সিং তাঁর আসন হারিয়েছেন এবং এরইমধ্যে দলের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। কনজারভেটিভ পার্টি ১৪৪টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে। তবে দলটির নেতা পিয়েরে পলিয়েভ্রে নিজ আসনে পরাজিত হয়েছেন।

এই নির্বাচনকে লিবারেলদের জন্য এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাত্র কয়েক মাস আগেও দলটি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা ছিল। তবে ব্যাংক অব কানাডা ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক কর্মকর্তা কার্নির নেতৃত্বে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। গত মাসে জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের পর দলের হাল ধরেন কার্নি।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় শিল্প ও শ্রমিকদের সহায়তার লক্ষ্যে আইন পাসের বিষয়টিতে পার্লামেন্টে লিবারেলদের সহজে সমর্থন মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ নির্বাচনী প্রচারণায় সব দল এ বিষয়ে একমত ছিল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কার্নিকে ট্রাম্পের অভিনন্দন, শিগগিরই বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত

আপডেট সময় ০২:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

কানাডার সাধারণ নির্বাচনে লিবারেল পার্টির বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন মার্ক কার্নি। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে ফোন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রথম ফোনালাপে দু’দেশের নেতারা শিগগিরই এক বৈঠকে বসার বিষয়ে একমত হন।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, কার্নির লিবারেল পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও ১৬৯টি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথে রয়েছে। কানাডার পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৭২টি আসন। ফলে নতুন সরকারকে এখন অন্যান্য দলের সমর্থন সুনিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের অষ্টম দিনের বৈঠক আজ

কার্নির জন্য এই নির্বাচন দুই দিক থেকে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে তাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সম্পর্কের জটিল ইস্যুগুলোতে দর–কষাকষি করতে হবে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোও সমাধান করতে হবে। বিশেষ করে বাণিজ্য শুল্ক এবং কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য এবারের নির্বাচনে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

লিবারেল পার্টিকে সংসদে আইন পাস করাতে হলে অন্যান্য দলের সহযোগিতা নিতে হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এনডিপি) ও ব্লক কেবেকোয়া থেকে সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। অতীতেও এনডিপি লিবারেলদের সরকারে সহায়তা করেছে।

তবে এবার নির্বাচনে এনডিপি বড় ধাক্কা খেয়েছে। তাদের ভোট ১২ শতাংশ কমেছে। দলটির নেতা জগমিত সিং তাঁর আসন হারিয়েছেন এবং এরইমধ্যে দলের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। কনজারভেটিভ পার্টি ১৪৪টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে। তবে দলটির নেতা পিয়েরে পলিয়েভ্রে নিজ আসনে পরাজিত হয়েছেন।

এই নির্বাচনকে লিবারেলদের জন্য এক ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাত্র কয়েক মাস আগেও দলটি রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা ছিল। তবে ব্যাংক অব কানাডা ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক কর্মকর্তা কার্নির নেতৃত্বে দলটি ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। গত মাসে জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের পর দলের হাল ধরেন কার্নি।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডীয় শিল্প ও শ্রমিকদের সহায়তার লক্ষ্যে আইন পাসের বিষয়টিতে পার্লামেন্টে লিবারেলদের সহজে সমর্থন মিলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ নির্বাচনী প্রচারণায় সব দল এ বিষয়ে একমত ছিল।