ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

রেমিট্যান্সে চমক: এপ্রিলের ২১ দিনে দেশে এলো ১৯৬ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 402

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২১ দিনেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। দেশের মুদ্রায় যা প্রায় ২৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে এবার বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছরের এপ্রিলের প্রথম ২১ দিনে এসেছিল ১৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন  মার্চে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, দেশের অর্থনীতিতে শক্তি সঞ্চার

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, শুধুমাত্র ২১ এপ্রিল একদিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৭৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের এই সময় পর্যন্ত যা ছিল ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ১০ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স প্রবাহে ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ। এই অঙ্ক স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা।

এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল ফেব্রুয়ারিতে, প্রায় ২৫৩ কোটি ডলার। জানুয়ারিতেও রেমিট্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য, প্রায় ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার।

২০২৪ সালের সমাপ্তি পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। মাসভিত্তিক এই আয় ছিল: জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার, মে মাসে ২২৫ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার, জুনে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ, জুলাইতে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার, আগস্টে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ৮ হাজার, নভেম্বরে ২১৯ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার এবং ডিসেম্বরে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

প্রবাসী আয়ে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রেমিট্যান্সে চমক: এপ্রিলের ২১ দিনে দেশে এলো ১৯৬ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৮:৪০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

 

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২১ দিনেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। দেশের মুদ্রায় যা প্রায় ২৩ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে ৯ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে এবার বেড়েছে ৪০ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছরের এপ্রিলের প্রথম ২১ দিনে এসেছিল ১৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন  সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা; বাংলাদেশি প্রবাসী গ্রেফতার

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, শুধুমাত্র ২১ এপ্রিল একদিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩৭৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের এই সময় পর্যন্ত যা ছিল ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ১০ লাখ ডলার।

রেমিট্যান্স প্রবাহে ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ। এই অঙ্ক স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা।

এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে, যার পরিমাণ ছিল প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল ফেব্রুয়ারিতে, প্রায় ২৫৩ কোটি ডলার। জানুয়ারিতেও রেমিট্যান্স ছিল উল্লেখযোগ্য, প্রায় ২১৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার।

২০২৪ সালের সমাপ্তি পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। মাসভিত্তিক এই আয় ছিল: জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার, মে মাসে ২২৫ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার, জুনে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ, জুলাইতে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার, আগস্টে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ৮ হাজার, নভেম্বরে ২১৯ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার এবং ডিসেম্বরে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

প্রবাসী আয়ে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করছেন।