ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

পারমাণবিক ইস্যুতে রোমে বৈঠকে মুখোমুখি ইরান-

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 412

ছবি সংগৃহীত

 

দীর্ঘদিন ধরে চলা পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এবার রোমে মুখোমুখি বসছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধি দল। শনিবার, ১৯ এপ্রিল রোমে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকটিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি ইসরায়েলের, এখন শুধু ট্রাম্পের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা

এর আগে, ওমানের রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফার আলোচনায় বসেছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। সেখানে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করে।

প্রথম দফার আলোচনার পর, আরাকচি ও উইটকভ আবারও সীমিত পরিসরে সংলাপে অংশ নেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তির পর এই প্রথমবার মুখোমুখি আলোচনায় বসছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

রোম বৈঠকের আগে ইতালির এক শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাকচি। সেখানে তিনি বলেন, “ইরান সব সময় কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য চুক্তি হোক, যাতে সব পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।”

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আরাকচি বলেন, “যদি এমন একটি চুক্তি হয় যেখানে তেহরানের ওপর অন্যায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আর কোনো সংশয় না থাকে তাহলে ইরান তা সম্মান করবে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। এখন দেখার বিষয়, রোম বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাস ও সমঝোতার নতুন দরজা খুলে কি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

পারমাণবিক ইস্যুতে রোমে বৈঠকে মুখোমুখি ইরান-

আপডেট সময় ০৭:৪৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

দীর্ঘদিন ধরে চলা পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এবার রোমে মুখোমুখি বসছে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধি দল। শনিবার, ১৯ এপ্রিল রোমে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈঠকটিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  মারাত্মক ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানি ১৬, ব্যাপক ধ্বংস ও বন্যার আশঙ্কা

এর আগে, ওমানের রাজধানী মাসকাটে প্রথম দফার আলোচনায় বসেছিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। সেখানে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করে।

প্রথম দফার আলোচনার পর, আরাকচি ও উইটকভ আবারও সীমিত পরিসরে সংলাপে অংশ নেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০১৫ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তির পর এই প্রথমবার মুখোমুখি আলোচনায় বসছে দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

রোম বৈঠকের আগে ইতালির এক শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাকচি। সেখানে তিনি বলেন, “ইরান সব সময় কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা চাই একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য চুক্তি হোক, যাতে সব পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।”

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আরাকচি বলেন, “যদি এমন একটি চুক্তি হয় যেখানে তেহরানের ওপর অন্যায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয় এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আর কোনো সংশয় না থাকে তাহলে ইরান তা সম্মান করবে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। এখন দেখার বিষয়, রোম বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাস ও সমঝোতার নতুন দরজা খুলে কি না।